Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Ritabrata Banerjee

পাটচাষিদের বেহাল দশা নিয়ে কেন চুপ কেন্দ্র? সংসদীয় কমিটিতে সরব ঋতব্রত

তৃণমূল সাংসদদের প্রশ্নের কোনও সদুত্তরই দিতে পারেননি দপ্তরের আধিকারিকরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫, ১৬:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫, ১৬:৪৬

options
link
পাটচাষিদের বেহাল দশা নিয়ে কেন চুপ কেন্দ্র? সংসদীয় কমিটিতে সরব ঋতব্রত zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: বাংলা-সহ দেশের পাটচাষিদের স্বার্থরক্ষার দাবিতে সংসদীয় কমিটিতে সরব তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলা-সহ দেশের পাটচাষি ও পাটশিল্পের দুরাবস্থা নিয়ে কেন্দ্র সরকার উদাসীন। পাটের উপযুক্ত দাম পাচ্ছেন না চাষিরা। পাটকলদের মালিকদের কাছে মজুত নেই প্রয়োজনীয় কাঁচা পাট। এমনই অভিযোগ এনে কেন্দ্রকে একগুচ্ছ প্রশ্নের মুখে দাঁড় করালেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, সোমবার সংসদের শ্রম ও বস্ত্র বিষয়ক স্থায়ী কমিটির বৈঠকে কেন্দ্র সরকার কেন পাটচাষিদের দুরাবস্থা নিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে, তা জানতে চান ঋতব্রত। বাংলা-সহ সারা দেশের পাটচাষিদের স্বার্থরক্ষায় কেন্দ্র সরকারকে প্রয়োজন পদক্ষেপ করতে হবে বলেও জোরালো দাবি তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, কমিটির বৈঠকে ঋতব্রত তথ্য পরিসংখ্যান দিয়ে কেন্দ্র সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়েন এদিন। তৃণমূল সাংসদদের প্রশ্নের কোনও সদুত্তরই তারা এদিন দিতে পারেননি। আগামী ১৪ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন দপ্তরের আধিকারিকেরা।

Advertisement

সূত্রের খবর, খোলা বাজারে যেখানে পাটের দাম কুইন্টাল প্রতি ৯ হাজার টাকায় পৌঁছে গিয়েছে সেখানে জুট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (এফসিআই) মাত্র ৫ হাজার ৬৫০ টাকা কুইন্টাল প্রতি দর দিয়ে পাটচাষিদের কাছ থেকে পাট কিনছে এবং তাতে যে বাংলার চাষিরা বিপদে পড়ছে সেই কথাও তুলে ধরেন তিনি। উল্লেখ্য, সারা দেশের মধ্যে বাংলাতেই সবথেকে বেশি পাট উৎপাদন হয়। কাঁচা পাটের কোনও অতিরিক্ত মজুতদারি নেই তাই গত বছর এমএসপি দিয়ে যত পরিমাণ পাট কিনেছিল কেন্দ্রীয় সরকার, সেগুলি সবই ব্যবহার করা হয়েছে সরকারের ব্যাগ-সহ নানান প্রয়োজনে। ফলে, জুটমিল মালিকরা সেই চাহিদা পূরণ করতে মজুতদারি প্রায় খালি করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। সেই সমস্যার কথাও তুলে ধরে অবিলম্বে এর সমাধানের দাবি করেন ঋতব্রত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.