Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Election commission

‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্নের সদুত্তর নেই’, কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ তৃণমূলের, ভুয়ো ভোটার নিয়ে নালিশ বিজেপিরও

সাক্ষাতের পরও কমিশনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তুষ্ট তৃণমূল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৫, ১৯:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৫, ১৯:৫২

options
link
‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্নের সদুত্তর নেই’, কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ তৃণমূলের, ভুয়ো ভোটার নিয়ে নালিশ বিজেপিরও zoom
Advertisement

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: ইস্যু এক। নালিশও এক। অথচ একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল ও বিজেপি। রাজ্যের শাসকদলের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুয়ো ভোটার নিয়ে যে প্রশ্নগুলি তুলেছিলেন সেগুলির কোনও সদুত্তর নেই। আবার পালটা বিজেপি বলছে, রাজ্যে ভুয়ো ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে তৃণমূল জমানাতেই।

এদিন তৃণমূলের ১০ সাংসদের এক প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়। সেই প্রতিনিধি দলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও ব্রায়েনের মতো সিনিয়র সাংসদরা ছিলেন। বৈঠক শেষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ইস‍্যু তুলেছিলেন, সেই বিষয়টা বলেছি। একটি এপিক নম্বরে একাধিক ব‍্যক্তির নাম আছে। একটা এপিক কার্ডে একাধিক ভোটার থাকলে সেটা অবৈধ। দুই জেলার দুজন লোকেরও একই এপিক নম্বর। এটা বেআইনি। তাঁরা তো আলাদা দফার ভোটে এসে ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের ২৮ নম্বর রুলেই উল্লেখ আছে, একটা এপিক নম্বরে একজনই ব‍্যক্তি থাকবে।”

Advertisement

তৃণমূল সাংসদদের দাবি, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কল্যাণ বলছেন, “মানুষের ভরসাই যদি চলে যায়, তাহলে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন উঠে যায়।” তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেনি কমিশন। তিনি অভিযোগ করছেন, “কত ডুপ্লিকেসি আছে, সেটার কোনও সঠিক জবাব পাইনি। সবাই মিলে কাজ করতে হবে বলেছেন, সেটা আমরা সবাই জানি। আমরা সন্তুষ্ট নই। মুখ‍্যমন্ত্রীর তোলা ইস্যুর কোনও সদুত্তর নেই।”

তৃণমূলের আগে বিজেপির একটি প্রতিনিধিদলও কমিশনের দ্বারস্থ হয়। সুকান্ত মজুমদার, অমিত মালব্যদের নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধিদলের দাবি, বাংলায় ভুয়ো ভোটারের আমদানি তৃণমূল জমানাতেই। রাজ্যে ১৩ লক্ষের বেশি ভুয়ো ভোটার আছে বলে দাবি বিজেপির। কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে অমিত মালব্যর অভিযোগ, “নির্বাচন কমিশনকে আমরা জেলাওয়াড়ি তথ‍্য তুলে দিয়েছি। ১৩,০৩,০৬৫ নাম আমরা তুলে দিয়েছি কমিশনের হাতে। পশ্চিমবঙ্গের সিইও অফিস তৃণমূলের দ্বিতীয় অফিস। তাঁদের দিয়ে এই কাজ করা হয়েছে।” গেরুয়া শিবিরের চ্যালেঞ্জ, তৃণমূল যদি স্বচ্ছ্ব ভোট করাতে চায় তাহলে বায়োমেট্রির মাধ্যমে ভোট হোক, বিজেপি তাতেও রাজি আছে।

যদিও বিজেপির এই বৈঠককে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। বিজেপির সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে কল্যাণ বলছেন, “বিজেপি কেন এসেছিল জানিনা। নির্বাচন কমিশনের কাছে যাওয়া মানে তো বিজেপিরই এক ঘর থেকে অন‍্য ঘরে যাওয়া। আমরা যেহেতু আসছি তাই ওদের আসতে হয়েছে। আগামী ভোটে ৩০টা আসনও পাবে না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.