সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি। সরকারের প্রধান পদে আসার পর থেকেই প্রত্যেক বছর তিনি দীপাবলি পালন করেছেন সেনাবাহিনীর সঙ্গে। ২০২৫ সালেও সেই রীতি বজায় রেখেছেন তিনি। এবার তিনি নৌবাহিনীর সঙ্গে আইএনএস বিক্রান্তে দীপাবলি উদযাপন করলেন। গোয়া এবং কারওয়ার উপকূলে নৌসেনার সঙ্গে সময় কাটান প্রধানমন্ত্রী।
দেশের সবথেকে কঠিন ভৌগোলিক অঞ্চলগুলিতে দীপাবলি উদযাপন করেছেন মোদি। কার্গিল থেকে রাজস্থান, প্রতিবছর দিওয়ালিতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাটিয়ে মোদি সংহতির বার্তা দিয়েছেন।
২০২৪ সালে দীপাবলিতে গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলের স্যর ক্রিক এলাকার লাক্কি নালায় বিএসএফ, সেনা এবং বিমান বাহিনীর কর্মীদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছিলেন মোদি। সেখানে জওয়ানদের সঙ্গে মিষ্টিমুখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

২০২৩-এর দীপাবলিতে হিমাচল প্রদেশে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। হিমাচল প্রদেশের লেপচা অঞ্চলে জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেখান থেকে তুরস্ক এবং সুদানে ভারতীয় বাহিনীর উদ্ধার অভিযানের প্রশংসা করেন তিনি।
২০২২ সালে ঐতিহাসিক কার্গিলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিটি যুদ্ধে কার্গিলে তেরঙ্গা উত্তোলন করতে পারার গর্বের কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধ তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলে।
২০২১ সালে জম্মু কাশ্মীরের নওশেরা জেলায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সময় কাটান তিনি। মোদি বলেন, নওশেরার ইতিহাস ভারতের সাহসিকতার প্রতীক এবং এর বর্তমান দেশের সৈন্যদের সাহস এবং দৃঢ় সংকল্পের প্রতিফলন। পাকিস্তানে ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রশংসা করেন তিনি।

২০২০ সালে রাজস্থানের জয়সালমিরে ছিলেন মোদি। লঙ্গেওয়ালার সৈনিকদের সঙ্গে সময় কাটান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি লঙ্গেওয়ালার যুদ্ধের কথা স্মরণ করে বলেন, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং সামরিক বীরত্বের ইতিহাসে এই যুদ্ধ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে লাইন অফ কন্ট্রোলে দীপাবলি পালন করেন তিনি। রাজৌরির ‘হল অফ ফেম’ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকেই বীর সৈন্য এবং নাগরিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
২০১৮ সালে কেদারনাথ মন্দিরে যাওয়ার আগে চিন সীমান্তের কাছে হারসিল উপত্যকায় সৈন্যদের সঙ্গে দেখা করেন মোদি।
২০১৭ সালে কাশ্মীরের গুরেজ উপত্যকায় দীপাবলি পালন করেন তিনি। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পোশাকে, তিনি সৈন্যদের সঙ্গে মিষ্টি বিনিময় করেন। দেশের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানান মোদি।
২০১৬ সালে ভারত-চিন সীমান্তের কাছে সুমডোতে ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ, ডোগরা স্কাউটস এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্মীদের সঙ্গে দীপাবলি কাটান মোদি। পথে, তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনার জন্য চাঙ্গো গ্রামে থামেন তিনি।
২০১৫ সালে পাকিস্তান সীমান্তের কাছে অমৃতসরের খাসা এবং ডোগরাই যুদ্ধ স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করেন মোদি। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জয়কে সম্মান জানান তিনি। সীমান্তে মোতায়েন সৈন্যদের সঙ্গে আলাপচারিতায় দীপাবলি পালন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রথম বছরে ২০১৪ সালে পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেনে দীপাবলি উদযাপন করেন তিনি। ১২৫ কোটি ভারতবাসীকে নিশ্চিন্তে দীপাবলি পালন করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ দেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
সবুজই আসল সোনা, পরিবেশ সচেতনতায় শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স-এর বিশেষ উদ্যোগ
-
৫ মাস পর মুক্তি! ৪টি ট্রলার-সহ ৯১ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে ফেরাল ভারত
-
এবার ‘কেরালায় কুরুক্ষেত্র’ বাঁধাবেন একেনবাবু, সম্মুখ সমরে ঋত্বিক! আর কোন চমক?
-
অবশেষে শুরু অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন, কীভাবে পূরণ করবেন ফর্ম? জানুন খুঁটিনাটি
-
হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি আর কতদিন! দিল্লিতে বিক্ষোভ ককরোচ পার্টির, নিরাপত্তা দিল শাহের পুলিশ