টাটা সন্সের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন এন চন্দ্রশেখরন (N Chandrasekaran)। গত ছ’মাস ধরে টাটা ট্রাস্ট ও টাটা সনসের বোর্ডে তৈরি হওয়া সংঘাতের জেরে এই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন টাটা গোষ্ঠীর প্রথম নন-পার্সি প্রধান। বুধবার এক বিবৃতিতে চন্দ্রশেখরন নিজেই স্পষ্ট করেছেন, তাঁর চলতি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি আর পুনর্নিয়োগের দাবিদার হতে চান না।
২০১৭ সালে টাটা গোষ্ঠীর প্রথম নন-পার্সি চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নেন এন চন্দ্রশেখরন। আগামী বছর ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁর মেয়াদবৃদ্ধি নিয়ে দোলাচলের জেরেই ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রশেখরন। জানিয়েছেন, তিনি টাটা সন্সের বোর্ডকে জানিয়ে দিয়েছেন যে তাঁর মেয়াদবৃদ্ধি করা হোক তা তিনি চান না। তবে হঠাৎই ইস্তফা দিলে কোনও সংকট যাতে তৈরি না হয় এবং মসৃণভাবে নেতৃত্ব হস্তান্তর সম্পূর্ণ হতে পারে তার স্বার্থেই ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারিত মেয়াদ পুরো করবেন তিনি।
আরও পড়ুন:
টাটা সনসের ৬৬ শতাংশ মালিকানা রয়েছে মূল সংস্থা ‘টাটা ট্রাস্টস’-এর হাতে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে স্যার দোরাবজি টাটা ট্রাস্ট এবং স্যার রতন টাটা ট্রাস্ট সর্বসম্মতিক্রমে চন্দ্রশেখরনের মেয়াদ আরও ৫ বছর বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। টাটা সনসের নমিনেশন ও রেমিউনারেশন কমিটিও সেই প্রস্তাবে সবুজ সংকেত দেয়। কিন্তু তার পর টাটা সনসের বোর্ড মিটিংয়ে এক প্রভাবশালী সদস্য এই প্রস্তাবে অসম্মতি জানান।
টাটা ট্রাস্টসের চেয়ারম্যান নোয়েল টাটার তরফে কিছু শর্ত রাখা হয়েছিল যার অন্যতম দাবি ছিল, টাটা সনসকে কোনওদিন শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত করা যাবে না। চন্দ্রশেখরন সেই শর্ত মেনে নিতে রাজি হননি। তা ঘিরেই ক্রমে চওড়া হতে থাকে ফাটল। বোর্ডে ট্রাস্টের প্রতিনিধি সংখ্যা বাড়ানো নিয়েও মতপার্থক্য তৈরি হয়। চন্দ্রশেখরন জানান, বোর্ড মিটিংয়ের পর ছ’মাস কেটে গেলেও তাঁর পুনর্নিয়োগ নিয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি বোর্ড। সেকারণেই এবার পদ ছাড়লেন টাটা গোষ্ঠীর প্রথম নন-পার্সি চেয়ারম্যান।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভারতীয় ব্যবসা মহোৎসবে উজ্জ্বল পশ্চিমবঙ্গ, ক্ষুদ্র শিল্পে বিপুল বিনিয়োগের সম্ভাবনা
-
স্বাধীনতা দিবসে দিনভর চলবে কম মেট্রো, কখন পাবেন প্রথম ও শেষ পরিষেবা?
-
ব্রাজিল ম্যাচকেই অগ্রাধিকার, এশিয়ান কাপ থেকে নাম তুলে নিল ভারত
-
‘কে অধিকার দিয়েছে জীবন নিয়ে খেলার?’ বেআইনি নির্মাণ কাণ্ডে ২৭ জনকে ব্ল্যাকলিস্টের হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার
-
চোখ খোলা, শরীর থমকে! ‘জম্বি ড্রাগে’ মানুষ কি সত্যিই ‘জম্বি’ হয়ে যায়?