Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Assam

‘১০ দিনে দিতে হবে নাগরিকত্বের প্রমাণ, অন্যথায়…’ অসমে বড় ঘোষণা হিমন্তর

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫, ১৪:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫, ১৪:২১

options
link
‘১০ দিনে দিতে হবে নাগরিকত্বের প্রমাণ, অন্যথায়…’ অসমে বড় ঘোষণা হিমন্তর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্দেহভাজন বিদেশিদের শনাক্ত করতে বড় পদক্ষেপ করল অসমের হিমন্ত বিশ্বশর্মা সরকার। মঙ্গলবার ক্যাবিনেট বৈঠকের পর প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে ১০ দিন সময় দেওয়ার নিয়ম আনার। ১৯৫০ সালের যে আইন, তা চালু করে রাজ্য সরকারকে বর্তমান নাগরিকত্ব নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে ‘বাইপাস’ করার ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান নিয়মে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে এই সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। কিন্তু নয়া নিয়মে দশদিনের মধ্যেই নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হবে। অন্যথায় তাঁদের যেতে হবে ডিটেনশন ক্যাম্পে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হিমন্ত বিশ্বশর্মা ক্যাবিনেট বৈঠকে হওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খোলেন। তিনি জানান, বর্তমান নাগরিকত্ব নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে সরিয়ে নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর তথা এসওপি লাগু করা হবে। এর ফলে ১৯৫০ সালের যে আইন ছিল তা ফের কার্যকর করা যাবে। তবে এদিন তা ঘোষণা করলেও গত জুনেই বিধানসভায় এই আইন ফের লাগু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন হিমন্ত।

Advertisement

প্রসঙ্গত, হিমন্ত বিশ্বশর্মা কোনওরকম রাখঢাক না করেই একাধিকবার বলেছেন, অসমের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। যা রুখতে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। গত মাসেই তিনি ঘোষণা করেন, ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের আধার কার্ড ইস্যুই করা হবে না। একমাত্র ব্যতিক্রম তফসিলি জাতি ও উপজাতি এবং চা শ্রমিকরা। তবে তাঁদের ক্ষেত্রেও তা জারি হবে এক বছরের জন্যই। তবে এরই পাশাপাশি বিজেপি নেতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”বিরল থেকে বিরলতম ক্ষেত্রে জেলাশাসকের ক্ষমতা থাকবে এরপরও কারও আধার কার্ড ইস্যু করার। তিনি এসবি রিপোর্ট এবং ফরেনাক্স ট্রাইব্যুনালের রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.