Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Uniform Civil Code

শরিয়তি আইনে বৈষম্যের শিকার মহিলারা, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে জোরাল সওয়াল সুপ্রিম কোর্টের

১৯৩৭ সালের শরিয়তি আইনের একটি ধারা মুসলিম মহিলাদের জন্য বৈষম্যমূলক, এই যুক্তিতে সেটি বাতিলের আর্জি জানিয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল শীর্ষ আদালতে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ২০:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ২০:২৮

options
link
শরিয়তি আইনে বৈষম্যের শিকার মহিলারা, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে জোরাল সওয়াল সুপ্রিম কোর্টের zoom
মামলা উঠেছিল প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে।

দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনার সময় এসে গিয়েছে। মঙ্গলবার এই মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। ১৯৩৭ সালের শরিয়তি আইনের একটি ধারা মুসলিম মহিলাদের জন্য বৈষম্যমূলক, এই যুক্তিতে সেটি বাতিলের আর্জি জানিয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল শীর্ষ আদালতে। ওই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ শীর্ষ আদালতের। উল্লেখ্য, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে এই প্রথম সরাসরি সওয়াল করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

শরিয়তি আইনের বিরোধিতা করে মামলা উঠেছিল প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি আর মাধবনের বেঞ্চে। শরিয়তি আইনের ধারা মুসলিম মহিলাদের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক, সেটি বাতিলের আর্জিতে দায়ের হওয়া মামলাকে ‘ভালো মামলা’ বলে মন্তব্য করে বিচারপতি সূর্যকান্তর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। যদিও শুনানিতে বিচারপতিরা বলেন, আদালত যদি শরিয়তের উত্তরাধিকার আইন বাতিল করে, তা হলে একটি আইনি শূন্যতা তৈরি হবে। কারণ মুসলিম উত্তরাধিকারের কোনও বিধিবদ্ধ আইন (ভারতীয় ন্যায় সংহিতায়) নেই।

Advertisement

মামলাকারীর আইনজীবী প্রশান্তভূষণকে উদ্দেশ্য় করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “(আইনি) সংস্কারের জন্য আমাদের অতিরিক্ত উদ্বেগের কারণে আমরা তাঁদের (মুসলিম মহিলাদের) বঞ্চিত করতে পারি। তাঁরা ইতিমধ্যে যা পাচ্ছে তার চেয়ে কম পেতে পারেন। প্রশ্ন হল, ১৯৩৭-এর শরিয়ত আইন বাতিল হলে, বদলে কী? এর ফলে কি শূন্যতা তৈরি হবে?” অন্যদিকে বেঞ্চের অন্যতম সদস্য বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মামলাকারীর আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণকে বলেন, ‘‘আপনার মামলাটি ভালো। কিন্তু বিষয়টি আইনসভার উপরেই ছেড়ে দেওয়া উচিত নয় কি? কারণ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি তৈরির অধিকার আইনসভারই রয়েছে।’’ যদিও প্রধান বিচারপতি বলেন, সমস্ত জটিল প্রশ্নের “উত্তর হতে পারে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি।” বিচারপতি বাগচী আরও বলেন, “এক ব্যক্তির একমাত্র স্ত্রী। এই বিধি সব সমাজে প্রযুক্ত হয়নি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.