সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিতর্কিত মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে পড়লেন রাহুল গান্ধী। গালওয়ান সংঘাতের পর তিনি দাবি করেছিলেন, চিন নাকি ভারতের ২ হাজার বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ড দখল করে রেখেছে। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই শীর্ষ আদালতের মত, প্রকৃত ভারতীয় হলে এমন কথা বলতে পারতেন না কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর দাবির সপক্ষে কোনও যুক্তিযুক্ত প্রমাণ রয়েছে কিনা,সেই প্রশ্নও করেছে দুই বিচারপতির বেঞ্চ।
২০২০ সালে গালওয়ান সংঘাতের পর রাহুল দাবি করেন, ভারতের ২ হাজার বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ড দখল করে রেখেছে চিন। এছাড়াও অরুণাচল প্রদেশে ভারতীয় সেনাকে মারধর করছে চিনা সৈন্যরা, এমনটাই দাবি করেছিলেন রাহুল। সেই মন্তব্যের ভিত্তিতেই মানহানির মামলা দায়ের হয় কংগ্রেস সাংসদের বিরুদ্ধে। শুনানি চলাকালীন রাহুলের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, সংবাদপত্রে যা ছাপা হয়েছে সেটাও যদি লোকসভার বিরোধী দলনেতা বলতে না পারেন তাহলে বিষয়টি খুব দুর্ভাগ্যজনক।
সেই সওয়ালের ভিত্তিতে শীর্ষ আদালত জানায়, এহেন মন্তব্য করার হলে সেটা সংসদে না করে কেন সোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন রাহুল? বাকস্বাধীনতা থাকলেই তার অপব্যবহার করা যায় না। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং এজি মাসিহ তীব্র ভর্ৎসনা করে বলেন, “আপনি কি ওখানে ছিলেন? কোনও প্রমাণ রয়েছে? প্রমাণ ছাড়াই এহেন মন্তব্য কেন করেছেন? যদি প্রকৃত ভারতীয় হতেন, তাহলে এসব বলতেন না।” তবে প্রচণ্ড তিরস্কার করলেও শেষ পর্যন্ত রাহুলকে রক্ষাকবচ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
শীর্ষ আদালতের এমন মন্তব্যের পর লোকসভার বিরোধী দলনেতার পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত রাহুলের, এমনটাই দাবি করেন বিজেপি মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা। কংগ্রেস সাংসদকে ‘চিনা গুরু’ বলে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্যও। তবে রাহুলের তরফে এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
সর্বশেষ খবর
-
এসআইআর করে ‘ভোট লুট’, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবি, এবার প্রধান বিচারপতিকে চিঠি ‘ইন্ডিয়া’র!
-
সরকারি জমি দখল করে তৃণমূলের অফিস! বুলডোজারের ভয়ে দেওয়াল থেকে ‘ভ্যানিশ’ মমতার ছবি
-
ঋতব্রত নাকি শোভনদেব, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা কে? জল গড়াল হাই কোর্টে
-
আজই কলকাতায় পুরসভায় প্রশাসক, কাউন্সিলরদের হাতেই থাকছে সার্টিফিকেট জারির ক্ষমতা
-
মুখে হাসি মধ্যবিত্তের, এক ধাক্কায় অনেকটা কমল সোনার দাম, তবে বড় পতন শেয়ার বাজারে