Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Malda violence

প্রয়োজনে সিবিআই-এনআইএ তদন্ত! মালদহের ঘটনায় মুখ্যসচিব-ডিজিকে শোকজ সুপ্রিম কোর্টের 

একই সঙ্গে গোটা ঘটনার প্রাথমিক রিপোর্টও চেয়ে পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ১৬:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ১৬:৩৮

options
link
প্রয়োজনে সিবিআই-এনআইএ তদন্ত! মালদহের ঘটনায় মুখ্যসচিব-ডিজিকে শোকজ সুপ্রিম কোর্টের  zoom
সুপ্রিম কোর্টে মোথাবাড়ি মামলার শুনানি

মালদহের কালিয়াচকে তাণ্ডবের ঘটনায় ‘ক্ষুব্ধ’ সুপ্রিম কোর্ট। ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে শোকজ নোটিস। একইসঙ্গে মালদহের পুলিশ সুপার এবং জেলা শাসককেও শোকজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ঘটনায় শীর্ষ আদালতের কড়া পর্যবেক্ষণ, প্রয়োজনে ঘটনার তদন্ত সিবিআই কিংবা এনআইএ’কে দিয়ে করানো হবে। একই সঙ্গে প্রাথমিক রিপোর্টও চেয়ে পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। আর তা জমা দিতে হবে আদালতকেই। অন্যদিকে কমিশনকে একহাত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য, জুড়িশিয়াল আধিকারিকদের নিরাপত্তা কমিশনের দায়িত্ব। এজন্য যা যা পদক্ষেপ করা দরকার, তা কমিশনকে করতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনকে। 

ঘটনায় শীর্ষ আদালতের কড়া পর্যবেক্ষণ, প্রয়োজনে ঘটনার তদন্ত সিবিআই কিংবা এনআইএ’কে দিয়ে করানো হবে। একই সঙ্গে গোটা ঘটনার প্রাথমিক রিপোর্টও চেয়ে পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত।

ভোটার তালিকায় নাম না ওঠায় বুধবার সকাল থেকেই মালদহের কালিয়াচক এলাকায় মানুষের ক্ষোভ বাড়ছিল। কিন্তু বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। জনরোষ আছড়ে পড়ে এসআইআরের কাজে যাওয়া বিচারকদের উপর। যার জেরে রাতদুপুরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে মালদহের কালিয়াচক। অভিযোগ, বিক্ষোভকারী জনতা দীর্ঘক্ষণ ধরে কালিয়াচক ২ বিডিও অফিসে আটকে রাখেন সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মহিলা-সহ ৩ জন বিচারকও। শেষমেশ গভীর রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে বিশাল পুলিশবাহিনী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক।

Advertisement

শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালেই সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এমনকী কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল সুপ্রিম কোর্টকে বিস্তারিত জানিয়ে একটি চিঠি দেন। সেই চিঠির কথা উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, ”আমরা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছি। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বুধবার রাতেই আমাদের মধ্যে কয়েকজনকে জানানো হয়, কালিয়াচক এলাকায় বিচারকদের দুষ্কৃতীরা ঘেরাও করে রেখেছিল। রাত ২টো পর্যন্ত আমরা নজর রেখেছি।” এই ঘটনা বিচারকদের উপর ভয়ের প্রভাব ফেলবে বলেও হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন বলে মামলার শুনানিতে জানান প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।

ঘটনা প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, শুধু বিচারকদের ভয় দেখানো নয়, এই ঘটনা আদালতকেও চ্যালেঞ্জ করছে। পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলেও মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের। শুধু তাই নয়, বিচারকদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল বলেও পর্যবেক্ষণ প্রধান বিচারপতির।

আর এরপরেই রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, মালদহের জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার (এসপি)-কে শো কজ় করে শীর্ষ আদালত। আগামী সোমবার ফের এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে। সেদিনই মুখ্যসচিব, পুলিশের ডিজি, মালদহের জেলাশাসক এবং এসপিকে ভারচুয়াল মাধ্যমে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির চিঠির প্রেক্ষিতে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে না? তা জানাতে বলা হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.