Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
J&K Statehood

কাশ্মীরের পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে, কেন্দ্রকে ‘ডেডলাইন’ সুপ্রিম কোর্টের

পহেলগাঁওয়ের মতো ঘটনা রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করছে, দাবি কেন্দ্রের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২৫, ১৬:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২৫, ১৬:১৭

options
link
কাশ্মীরের পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে, কেন্দ্রকে ‘ডেডলাইন’ সুপ্রিম কোর্টের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর গড়িমসি নয়। জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। কেন্দ্রকে ডেডলাইন দিয়ে দিল শীর্ষ আদালত। যদিও মোদি সরকার এদিন দাবি করেছে, পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে পহেলগাঁওয়ের মতো ঘটনা যে প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করেছে, সেটাও মেনে নিয়েছে কেন্দ্র।

২০১৯ সালের ৫ আগস্ট কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা খর্ব করার পাশাপাশি উপত্যকার পূর্ণরাজ্যের মর্যাদাও কেড়ে নেওয়া হয়। জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে নিয়ে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করা হয়। ৩৭০ নিয়ে কাশ্মীরের মানুষের মধ্যে যেমন ক্ষোভ রয়েছে, তেমনই ক্ষোভ রয়েছে পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা হারানো নিয়েও। সেই ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টাও করেছে বিজেপি। ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে উপত্যকায় গিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কাশ্মীরের পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা ফেরানো হবেই। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে এখনও এ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।

Advertisement

পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৩ সালে এই নিয়ে কেন্দ্রকে সময়সীমাও বেঁধে দেয় শীর্ষ আদালত। শীর্ষ আদালত বলে দেয়, কবে নাগাদ উপত্যকার পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা ফেরানো হতে পারে সেটার সময়সীমা জানাক কেন্দ্র। তখন কেন্দ্র কোনও সময়সীমা জানাতে পারেনি। এবার ফের শীর্ষ আদালত মোদি সরকারকে চার সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ দিল।

এদিন শুনানিতে মামলাকারীদের আইনজীবী বলেন, “কাশ্মীরে পহেলগাঁওয়ের মতো ঘটনা কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনেই হয়েছে। তাছাড়া কেন্দ্র নিজে আদালতে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, দ্রুত তাঁরা রাজ্যের মর্যাদা ফেরাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এখন সেই প্রতিশ্রুতি যদি পূরণ করা না হয়, তাহলে হলফনামার মানেই বা কী!” মামলাকারীদের দাবি, “এভাবে যদি পূর্ণরাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে যে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করবে কেন্দ্র। এরপর হয়তো উত্তরপ্রদেশকেও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করে দেওয়া হবে।” সুপ্রিম কোর্ট সেই বিতর্কে না গেলেও জানিয়ে দিয়েছে, উপত্যকার পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রকে। চার সপ্তাহের মধ্যে শীর্ষ আদালতে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.