Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Subhash Chandra

সর্বস্ব খুইয়ে নিঃস্ব, বাড়িভাড়ার টাকায় দিন গুজরান, এবার বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা সুভাষ চন্দ্রর!

একটা সময় তিনি ছিলেন দেশের একেবারে প্রথম সারির ব্যবসায়ী। কিন্তু কালের চক্রে ডঃ সুভাষ চন্দ্র আজ নিঃস্ব।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১৬:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১৬:০৪

options
link
সর্বস্ব খুইয়ে নিঃস্ব, বাড়িভাড়ার টাকায় দিন গুজরান, এবার বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা সুভাষ চন্দ্রর! zoom
সুভাষ চন্দ্র। ফাইল ছবি।
Advertisement

একটা সময় তিনি ছিলেন দেশের একেবারে প্রথম সারির ব্যবসায়ী। এসেল গ্রুপের নানাবিধ ব্যবসায় কোটি কোটি টাকা ঢুকত তাঁর পকেটে। জি গ্রুপের মাধ্যমে দেশের মিডিয়া ব্যবসায় প্রথম সারিতে নাম লিখিয়েছেন। কিন্তু কালের চক্রে ডঃ সুভাষ চন্দ্র আজ নিঃস্ব। প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ একজন ঋণখেলাপী। এমন পরিস্থিতি যে তাঁর নিজের দিন গুজরানের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে বাড়িভাড়ার উপর। শেষে বেগতিক দেখে সুইজারল্যান্ডে গিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করছেন জি মিডিয়ার প্রাক্তন কর্ণধার।

দু’দিন আগেই ন্যাশনাল কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনাল ঋণ মকুব মামলায় বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন সুভাষচন্দ্র। তাঁর বিভিন্ন সংস্থার নামের পাশে সব মিলিয়ে ঋণ রয়েছে ২২ হাজার ৬ কোটি টাকা। এবং সেই ঋণ মেটাতে সংস্থাগুলি অপারগ। ওই ঋণগুলির গ্যারান্টার ছিলেন সুভাষ চন্দ্র। তবে ওই বিপুল ঋণ মেটাতে না পারলেও প্রাক্তন বিজেপি সমর্থিত সাংসদকে খুব একটা সমস্যা পড়তে হচ্ছে না। বরং অতি সস্তায় সেই ঋণ মেটানোর ব্যবস্থা তাঁকে করে দিয়েছে কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনাল। ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে মাত্র সাড়ে ৬ কোটি টাকা মেটালেই ওই ঋণের দায় থেকে মুক্ত হবেন তিনি।

Advertisement

যদিও সুভাষ চন্দ্রের বক্তব্য, এখন তিনি নিঃস্ব। তাঁর বর্তমান আর্থিক অবস্থা কর্মজীবনের তুঙ্গস্পর্শী সময়ের সম্পদের তুলনায় একেবারেই নগণ্য। বর্তমানে তাঁর কাছে ওই সাড়ে ৬ কোটি টাকা এবং একটি ছোট আবাসিক সম্পত্তি রয়েছে। ওই সাড়ে ছ’কোটি টাকাটাও চলে যাবে ঋণ মেটাতে। আর আবাসিক বাড়ির একটি অংশ তিনি নিজের খরচ চালানোর জন্য ভাড়া দিয়েছেন। সেই ভাড়ার টাকাতেই আপাতত দিন গুজরান হচ্ছে। তবে সুভাষ চন্দ্র হাল ছাড়তে নারাজ। তিনি এবার বিদেশে গিয়ে চাকরি কর‍তে চান। আবার সম্পত্তি অর্জন করতে চান। ধনী হতে চান।

সুভাষ চন্দ্র বলছেন, “আজ আমি একটা সরল পথে এগোতে চাইছি। আমার যে শেষ সাড়ে ৬ কোটি টাকা আছে, সেটাই ঋণ শোধ করতে খরচ হবে। আমার একটা ছোট্ট বাড়ি রয়েছে। সেটাও ভাড়া দিয়েছি। সেই টাকাতেই আমার খরচ চলছে। আজ আমার কোনও আক্ষেপ নেই। আমি আবার ধনী হব। আমি পদপ্রদর্শক। আমি জানি কীভাবে নতুন কাজ করতে হয়, কীভাবে বিনিয়োগ করতে হয়। আমি আবারও সেটাই করব।” জি মিডিয়ার প্রাক্তন কর্ণধারের কথায়, “আপাতত আমি সুইজারল্যান্ডে আমার বন্ধুর সঙ্গে কিছু বিনিয়োগের কাজ করব। দরকারে বাড়ির লোকেদের থেকে ২-৩ কোটি ধার নেব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.