Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬
Ram Temple

প্রথমে দু’হাজার, তারপর দৈনিক ৩ লক্ষ টাকা! রামমন্দিরে চুরির তদন্তে স্বীকারোক্তি অভিযুক্তের

পুলিশি জেরায় তিন অভিযুক্ত করুণেশ পান্ডে, লবকুশ তিওয়ারি ও অনুকল্প মিশ্রের দাবি, মন্দিরে দানের টাকা প্রথম চুরি করতে শুরু করেন অবিনাশ শুক্লা। শুরুতে সেই টাকার অঙ্ক ছিল দিনে ২০০০।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ২২:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ২২:৪৯

options
link
প্রথমে দু’হাজার, তারপর দৈনিক ৩ লক্ষ টাকা! রামমন্দিরে চুরির তদন্তে স্বীকারোক্তি অভিযুক্তের zoom
রাম মন্দির। ফাইল ছবি।

রামমন্দিরের চুরির ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৩ অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তাঁদের জেরা করেই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশি জেরায় তিন অভিযুক্ত করুণেশ পান্ডে, লবকুশ তিওয়ারি ও অনুকল্প মিশ্রের দাবি, মন্দিরে দানের টাকা প্রথম চুরি করতে শুরু করেন অবিনাশ শুক্লা। শুরুতে সেই টাকার অঙ্ক ছিল দিনে ২০০০। পরে চুরি চালাতে রীতিমতো দল গঠন করে তাঁরা। চুরির পরিমাণ একলাফে বেড়ে হয় দিনে ৩ লক্ষ টাকা।

পুলিশের জেরার সামনে অভিযুক্তরা স্বীকার করেছে, শুরুতে চুরির পরিমাণ ছিল দিনে ২০০০ টাকা। এরপর সেটা বেড়ে দাঁড়ায় প্রতিদিন ১৫০০০ থেকে ২০০০০ টাকা। সাহস যত বাড়তে থাকে টাকার পরিমাণও তত বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে চুরির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৩ লক্ষ টাকায়। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শুরুতে এই চুরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মাত্র ২ জন। পরে ধীরে ধীরে বাকিদের মধ্যেও চুরির কথা ছড়িয়ে পড়ে। তখন তাঁদেরও দলে টেনে নেওয়া হয়। যেহেতু মন্দিরের টাকা গোনার পর কাউকে তল্লাশি করা হত না, তাই অবলীলায় চুরি করত অভিযুক্তরা। জানা যাচ্ছে, টাকা চুরির পর শৌচাগারের পয়ঃনিষ্কাশন লাইনের জন্য খোঁড়া গর্তে টাকা রাখা হত। বাড়ি ফেরার সময় তারা টাকার বান্ডিলগুলো নিজেদের পকেট ও মোজার মধ্যে লুকিয়ে নিয়ে চলে যেত। অভিযুক্তরা পুলিশকে জানিয়েছে, ওই গর্তে একটি তাক তৈরি করা আছে এবং তার উপরে একটি ঢাকনা রাখা আছে। এর ফলে এখানে কেউ সন্দেহ করত না এবং চুরি করা টাকাও সুরক্ষিত থাকত। সুযোগ বুঝে চুরি করা টাকা মন্দির চত্বরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হতো।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুরুতে চুরির টাকার অঙ্ক ছিল দিনে ২০০০। পরে চুরি চালাতে রীতিমতো দল গঠন করে তাঁরা। চুরির পরিমাণ একলাফে বেড়ে হয় দিনে ৩ লক্ষ টাকা।

অভিযুক্তরা জানায়, যখন তারা চুরি করা শুরু করে, তখন ধরা পড়ার ভয়ে ভীত ছিল তারা। তাই, প্রথমে প্রত্যেকে দুই হাজার টাকা করে চুরি করত। বেশ কয়েকদিন ধরে কেউ তাদের সন্দেহ বা প্রশ্ন করেনি, এরপর নির্ভয়ে টাকার বান্ডিল চুরি করতে শুরু করে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায় যে একদিনে যতটা সম্ভব টাকা গায়েব করা হত। পকেটে ১০,০০০-১৫,০০০ টাকা সহজেই ঢুকে যেত। কেউ কখনও তাদের প্রশ্নও করেনি। লোভ বাড়তে থাকায় প্রতিদিন এক থেকে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত চুরি করতে শুরু করে অভিযুক্তরা।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা জানিয়েছে, শেষের দিকে যতটা সম্ভব টাকা গায়েক করার প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছিল। যে সবচেয়ে বেশি চুরি করত, সে-ই তা নিয়ে যেত। লোভে তাঁরা এতটাই মত্ত হয়ে ওঠে যে বুঝতেও পারেনি এই টাকা ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে দান করা। পুলিশের দাবি, টাকা চুরির ব্যাপারে অভিযুক্তদের এখনও কোনও অনুশোচনা নেই। জিজ্ঞাসাবাদে সহজেই নিজেদের কুকীর্তির কথা স্বীকার করে নিয়েছে অভিযুক্তরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.