সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যাত্রী নিরাপত্তা চুলোয়। দেশজুড়ে একের পর এক দুর্ঘটনায় কার্যত ‘মরণযানে’ পরিণত হয়েছে ভারতীয় রেল। তবে হুঁশ ফেলেনি কর্তৃপক্ষের। এবার লাইনচ্যুত জব্বলপুর থেকে সোমনাথগামী সোমনাথ এক্সপ্রেস। শনিবার ভোরে এই দুর্ঘটনার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যদিও সৌভাগ্যবশত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর ৫টা ৫০ নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে। স্টেশন থেকে ছাড়ার পর মাত্র ২০০ মিটার দূরে হঠাৎ বিকট আওয়াজ করে লাইনচ্যুত হয় গুজরাটগামী সোমনাথ এক্সপ্রেস। তবে স্টেশন থেকে অল্প কিছুটা এগোনোর জেরে গতি কম ছিল ট্রেনটির। যার জেরেই বড়সড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি ঘটেনি। তবে ঘটনার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় যাত্রীদের মধ্যে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন রেল আধিকারিকরা। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনটিকে লাইন থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার জেরে ওই লাইনে ট্রেন চলাচলের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়ে।
[আরও পড়ুন: পরীক্ষায় সফল অগ্নি-৪, চার হাজার কিমির গণ্ডিতে মুহূর্তে নিকেশ হবে শত্রু]
রেলের জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর থেকে গুজরাটের সোমনাথ পর্যন্ত যায় ট্রেনটি। জব্বলপুর স্টেশন থেকে ছাড়ার পরই ট্রেনটি দুর্ঘটনার মুখে। তবে কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা জানা যায়নি। দুর্ঘটনাগ্রস্থ ট্রেনটি সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
[আরও পড়ুন: হরিয়ানা নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের, হাত শিবিরে যোগ দিয়েই টিকিট পেলেন ভিনেশ]
এই নিয়ে গত এক মাসে ১০টিরও বেশি রেল দুর্ঘটনা ঘটল দেশের নানা প্রান্তে। গত মাসে চক্রধরপুরে হাওড়া থেকে মুম্বইগামী এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়। পাশাপাশি রাঙাপানিতে মালগাড়ির বেশকয়েকটি বগি লাইন থেকে সরে যায়। তার আগে বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। এভাবে একের পর এক রেল দুর্ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রেলের যাত্রী সুরক্ষা নিয়ে।
সর্বশেষ খবর
-
‘পাকিস্তানি হিন্দুদের সহ্য করি’, পাক প্রেসিডেন্টের মন্তব্যকে ‘অসংবেদশীল’ কটাক্ষ জাভেদ আখতারের
-
সাভারকর মন্তব্যে রাহুলের বিরুদ্ধে ‘অহেতুক’ মামলা, গবেষককে জরিমানা করল আদালত
-
আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্যের পর এবার ডুরান্ডের যুদ্ধ, আর্মিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল
-
রাজসাক্ষী হতে চেয়েও রেহাই নেই! জয় কামদারের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির নয়া অভিযোগ
-
ইউটিউব শর্টসে সরল ‘ডিসলাইক’ চিহ্ন! মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়ার কৌশল?