Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Supreme court

ভোটে প্রভাব ফেলেছে এসআইআর, সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল কল্যাণের, কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

সোমবার এসআইআর মামলার শুনানিতে ভোটের ফলে ট্রাইবুনালে ঝুলে থাকা ভোটারের সংখ্যা কতখানি প্রভাব ফেলল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠল শীর্ষ আদালতে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৬, ১৬:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৬, ১৬:৩৭

options
link
ভোটে প্রভাব ফেলেছে এসআইআর, সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল কল্যাণের, কী বললেন প্রধান বিচারপতি? zoom
গ্রাফিক্স ছবি।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় এখনও ৩৫ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য ঝুলে রয়েছে। সোমবার এসআইআর মামলার শুনানিতে ভোটের ফলে ট্রাইবুনালে ঝুলে থাকা ভোটারের সংখ্যা কতখানি প্রভাব ফেলল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠল শীর্ষ আদালতে। এই মামলায় তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূলের পরাজয়ের ক্ষেত্রে বিজেপির সঙ্গে ব্যবধান ৩২ লক্ষ। যেখানে বিচারাধীন থাকা ভোটারের সংখ্যা ৩৫ লক্ষ। পিটিশন ফাইলের অনুমতি চেয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে আবেদন জানান কল্যাণ।

ছাব্বিশের নির্বাচনে এবার বাংলার বিজেপি ২ কোটি ৯২ লক্ষ ২৪ হাজার ৮০৪ কোটি ভোট পেয়েছে। আর তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ২ কোটি ৬০ লক্ষ ১৩ হাজার ৮৪। সুতরাং প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যার নিরিখে এই ব্যবধান ৩২ লক্ষের। ২৯৩ টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন ও তৃণমূলের দখলে ৮০ টি কেন্দ্র। এদিন সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “৩১ টা এমন আসন রয়েছে, যেখানে যত নাম বাদ গিয়েছে বা বিচারধীন রয়েছে, ভোটের ফলের ক্ষেত্রে ব্যবধানও তেমনই।” একটি আসনের উদাহরণ টেনে কল্যাণ বলেন, “৮৭২ ভোটে আমাদের প্রার্থী হেরেছেন। সেখানে ৫ হাজার নাম বাদ গিয়েছে।”

Advertisement

শীর্ষ আদালতের কাছে কল্যাণ আবেদন করেন, “এই গ্রাউন্ডে ইলেকশন পিটিশন ফাইল করার অনুমতি দিন।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী কল্যাণের উদ্দেশে বলেন, “আপনি আলাদা করে ইন্টারলোকিউটরি অ্যাপ্লিকেশন। একটি মামলা চলাকালীন কোনও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চাওয়ার জন্য আবেদন করা) ফাইল করুন। কমিশনের তরফে মিস্টার নাইডু তাঁদের যা বলার বলবেন। আমরা খতিয়ে দেখে নির্দেশ দেব।”

এদিন সুপ্রিম কোর্টে এসআইআরের ট্রাইব্যুনাল থেকে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ইস্তফার প্রসঙ্গও ওঠে। এ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মিশ্র বলেন, “কেউ যদি ব্যক্তিগত গ্রাউন্ডে পদত্যাগ করেন, সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই।” সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীন কল্যাণ বলেন, “যে নামের বিচার এখনও হয়নি, তা দ্রুত শেষ না হলে সামনের বছর পুরসভা ভোট, এরপর পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব পড়তে পারে।” তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী এদিন শীর্ষ আদালতে জানান, “এখন মনে হচ্ছে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে চার বছর সময় লাগবে।” তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলে, “কতদিনের মধ্যে শুনানি শেষ করা সম্ভব, তা বোঝার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির রিপোর্ট দরকার।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.