এসআইআর (SIR Case) বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বৈধ ও সংবিধানসম্মত। কোথাও কোনও বেআইনি কিছু নেই। বুধবার এই মামলায় সাফ জানিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সেইসঙ্গে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, দেশজুড়ে যেভাবে এসআইআরের কাজ চলছিল, তেমনই চলবে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলি জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের এসআইআর করার ক্ষমতা রয়েছে। সাধারণ প্রক্রিয়া থেকে আলাদা বলেই শুধুমাত্র একে বেআইনি বলা যায় না।এই রায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষে বড়সড় জয় বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন এই প্রক্রিয়ার (এসআইআর) মাধ্যমে আইনে নির্ধারিত ভোটার তালিকা সংশোধনের পদ্ধতিকে বাতিল বা বদলে দিচ্ছে না। আইন নিজেই কমিশনকে যে কোনও সময় পুনর্বিবেচনা করার ক্ষমতা দিয়েছে এবং কীভাবে সেই কাজ হবে, তা নির্ধারণ করার স্বাধীনতা দিয়েছে। ফলে এসআইআরকে বেআইনি বলা যাবে না।
আরও পড়ুন:
Supreme Court upholds the decision of Election Commission of India’s (ECI) to undertake Special Intensive Revision (SIR) of voter rolls that started in Bihar.
A bench led by CJI Surya Kant has held that the SIR exercise cannot be struck down as ultra vires (illegal) just… pic.twitter.com/YLBr1V8bF4
— ANI (@ANI) May 27, 2026
প্রধান বিচারপতি-সহ তিন বিচারপতি আরও জানিয়েছেন, এসআইআর উদ্দেশ্য বৈধ এবং সংবিধানসম্মত। ভোটার তালিকায় নাম থাকা নাগরিকত্বের প্রাথমিক স্বীকৃতি। তবে প্রয়োজনে আইন মেনে তা যাচাই করায় কোনও অন্যায় নেই। সেই প্রক্রিয়ায় ন্যায্য ও স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রক্রিয়ার সময় নির্দিষ্ট নথি চাওয়া বেআইনি নয়। নির্বাচন কমিশনের এই ধরনের নথি নির্দিষ্ট করার ক্ষমতাও রয়েছে।
বিশেষ নিবিড় সংশোধন বেআইনিভাবে করছে নির্বাচন কমিশন, এই অভিযোগ তুলে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন তৃণমূল-সহ বিরোধীরা। বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের ঠিক ভোটের আগে তড়িঘড়ি এসআইআর পদ্ধতি শুরু হওয়ায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের অভিযোগ ছিল, এই পদ্ধতিটি সঠিক নয়। তাই এসআইআরের কাজে স্থগিতাদেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট। সেই মামলারই আজ চূড়ান্ত রায়দান হয়েছে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আইনে নির্ধারিত ভোটার তালিকা সংশোধনের পদ্ধতিকে বাতিল বা বদলে দিচ্ছে না। আইন নিজেই কমিশনকে যে কোনও সময় পুনর্বিবেচনা করার ক্ষমতা দিয়েছে এবং কীভাবে সেই কাজ হবে, তা নির্ধারণ করার স্বাধীনতা দিয়েছে। ফলে এসআইআরকে বেআইনি বলা যাবে না।
প্রধান বিচারপতি-সহ তিন বিচারপতি আরও জানিয়েছেন, এসআইআর উদ্দেশ্য বৈধ এবং সংবিধানসম্মত। ভোটার তালিকায় নাম থাকা নাগরিকত্বের প্রাথমিক স্বীকৃতি। তবে প্রয়োজনে আইন মেনে তা যাচাই করায় কোনও অন্যায় নেই। সেই প্রক্রিয়ায় ন্যায্য ও স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রক্রিয়ার সময় নির্দিষ্ট নথি চাওয়া বেআইনি নয়। নির্বাচন কমিশনের এই ধরনের নথি নির্দিষ্ট করার ক্ষমতাও রয়েছে। আজ শীর্ষ আদালতের এসব মন্তব্যের পর দেশজুড়ে এসআইআরের পথ যে আরও মসৃণ হল, তা বলাই বাহুল্য। সেইসঙ্গে বিরোধীদের প্রতিটি অভিযোগও যুক্তি সহকারে খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘নেইমার ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছে’, ব্রাজিল প্রেসিডেন্টের চরম কটাক্ষ, উঠল হাসির রোল!
-
এশীয় সূর্যের তেজে ম্লান আফ্রিকা, তিউনিশিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে প্রথম জয় জাপানের
-
সিপিএম করায় জেলে ভরেছিলেন মমতা, রং বদলে তৃণমূল হয়ে বিজেপির আমলে গ্রেপ্তার দাপুটে নেতা
-
উত্তরে রেড অ্যালার্ট! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি, ৫ জেলায় হলুদ সতর্কতা
-
মোহনবাগান ক্লাবে পালিত যোগ দিবস, ‘দেশের ফুটবলের উন্নতি যেন হয়’, বার্তা সচিব সৃঞ্জয়ের