সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেবতা হিসেবে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে পুজো করেন সিকিমের মানুষ। সেই শৃঙ্গে পর্বাতোরহীদের আরোহণ দেবতাকে অপমান। ফলে এহেন অভিযান বন্ধ করার আর্জি জানিয়ে এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখলেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং। যেহেতু নেপাল থেকে এই পর্বত অভিযান চলতে তাই নেপাল সরকারের কাছে যাতে কেন্দ্র অনুরোধ জানায় সেই আর্জি রাখা হয়েছে।
সম্প্রতি অরুণাচল থেকে একটি পর্বাতোরহীদের দল কাঞ্চনজঙ্ঘা জয় করে ফিরেছেন। এই ঘটনার পরই শাহের কাছে এই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লিখেছেন তামাং। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহণ বেআইনি তো বটেই সিকিমের মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগের পরিপন্থী। সিকিমবাসীর কাছে কাঞ্চনজঙ্ঘার ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বিশাল। বৌদ্ধধর্ম প্রচারক গুরু রিনপোচে তথা গুরু পদ্মসম্ভব এই পথ ধরেই অগ্রসর হয়েছিলেন। কাঞ্চনজঙ্ঘাকে সিকিমের প্রধান দেবতার আবাসভূমি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন তিনি। ফলে সেই বিশ্বাস থেকে সিকিম সরকার ওই পর্বত আরোহণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে।’ নেপাল যাতে সিকিমবাসীর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না করে তার জন্য নেপালের কাছে এই ধরনের অভিযান বন্ধে সরকার আবেদন জানাক সেই আর্জি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কাঞ্চনজঙ্ঘা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান। সে কথা মাথায় রেখে স্যাকরেড প্লেসেস অব ওয়ারশিপ (স্পেশ্যাল প্রভিশনস) অ্যাক্ট, ১৯৯১-এর আওতায় এই পর্বতে আরোহণ নিষিদ্ধ করে সিকিম সরকার। ২০০১ সালে এই নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর সিকিম রুট ধরে আর কেউ কাঞ্চনজঙ্ঘা যান না। নেপালের পথে এখনও জারি রয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহণ। এবার ওই রুট বন্ধের আর্জি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী।
সর্বশেষ খবর
-
‘কুণাল বললে প্রোমোশন, মানুষ বললেই দোষ!’, হালিশহরে ডাকাতরানি প্রসঙ্গে কী বললেন দিলীপ ঘোষ?
-
হালিশহরের নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়ি যাচ্ছেন শুভেন্দু, বদলের বাংলায় সৌজন্যের নজির
-
মেঘ সরিয়ে রোদের ঝিলিক দক্ষিণবঙ্গে, কেমন থাকবে উত্তরের আবহাওয়া?
-
দেশের স্বার্থে ফেডারেশনের প্রস্তাব গ্রহণ, একসঙ্গে কাজ করবেন বিবিয়ানো-বাজাজ
-
সৌদির তেল শোধনাগারে ভয়ংকর হামলা, চুক্তির পরই ‘মুসলিম ন্যাটো’র গালে সপাটে চড় হাউথির