Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Sheikh Hasina

‘আত্মসমর্পণের জন্য তৈরি’, ‘মৃত্যু পরোয়ানা’ সত্ত্বেও দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার!

কবে দেশে ফিরবেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৪:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৪:৫২

options
link
‘আত্মসমর্পণের জন্য তৈরি’, ‘মৃত্যু পরোয়ানা’ সত্ত্বেও দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার! zoom
শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি।
Advertisement

দেশে তাঁকে দেওয়া হয়েছে মৃত্যুদণ্ডের সাজা। তবু অকুতোভয় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) নির্ভীক ঘোষণা, ডিসেম্বরেই দেশে ফিরবেন তিনি। সঙ্গে থাকবেন তাঁর দলের সিনিয়র নেতারাও। করবেন আত্মসমর্পণ।

৭৮ বছরের নেত্রী বলেছেন, ”আমি ফিরলেই ওরা আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, আমাকে মেরেও ফেলতে পারে। তবু আমি ফিরব। আমার দলের নেতানেত্রী ও কর্মীরা অত্যন্ত চাপে আছেন। মৃত্যু যদি আসেই তাহলে আমার দেশের মাটিতেই আসুক। যেখানে আমার মা-বাবারা কবরস্থ, যেখানকার মাটিতে তাঁদের রক্ত মিশে আছে।”

Advertisement

সেই সঙ্গেই হাসিনাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”যখন কোনও সরকার দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকে, ভুল হতে থাকে। কোনও প্রশাসনই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু ভালো-মন্দ, ঠিক-ভুল বিচারের দায়িত্ব মানুষের। আমি মানুষের উপরই সেই ভার দিলাম। ওরা আমাকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। আমাকে ভোটে লড়তে দিতেও না পারে। কিন্তু আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করবে কেন? আমরা যদি খারাপই করে থাকি, সেটা মানুষ বিচার করুক। ” 

২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংরক্ষণ-বিরোধী গণঅভ্যুত্থানের জেরে গদিচ্যুত হতে হয় দেশের দীর্ঘতম প্রধানমন্ত্রীকে। বঙ্গভবন ছেড়ে হাসিনা আকাশপথে চলে আসেন দিল্লিতে। আপাতত এখানেই তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। ওদিকে, হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে প্রায় বছরখানেক ধরে নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ছিল। তাঁর আমলে গণহত্যা মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তৎকালীন বেশ কয়েকজন মন্ত্রীকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে। আওয়ামি লিগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকেও নিষিদ্ধ করেছিল ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। তাই ছাব্বিশের সাধারণ নির্বাচনে লিগের কেউ ভোটে দাঁড়াতে পারেননি। যদিও বাংলাদেশের বাইরে নানা জায়গায় আওয়ামি লিগ সক্রিয়। নয়াদিল্লিতে বসে নানা সভায় দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর ভোকাল টনিক দিতে দেখা গিয়েছে হাসিনাকে। এদিনও তিনি বলেছেন, অনলাইনে বৈঠক করে বাংলাদেশের ৩০০টি সংসদীয় কেন্দ্রের মধ্যে ১২৫টির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। উদ্দেশ্য, আওয়ামি লিগকে পুনর্সংগঠিত করা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.