Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Satya Niketan PG Collapse

দিল্লির দুর্ঘটনায় মৃত বেড়ে ৭, ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা পর রাজস্থানে আটক ভেঙে পড়া বাড়ির মালিক

সোমবার সকালেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে 'লুক আউট' নোটিস জারি করেছিল দিল্লি পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬, ২১:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬, ২১:৫৬

options
link
দিল্লির দুর্ঘটনায় মৃত বেড়ে ৭, ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা পর রাজস্থানে আটক ভেঙে পড়া বাড়ির মালিক zoom
বাড়ির মালিক হরিরাম গুপ্ত (বাঁ দিকে), চলছে উদ্ধার কাজ।
Advertisement

রবিবার দুপুরে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে দিল্লির সত্য নিকেতনের (Satya Niketan PG Collapse) একটি ছ’তলা বাড়ি। মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা পর রাজস্থানের বিওয়াড়ি থেকে আটক করা হল বাড়ির মালিক হরিরাম গুপ্তকে। উল্লেখ্য, সোমবার সকালেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ‘লুক আউট’ নোটিস জারি করেছিল দিল্লি পুলিশ।

‘লুক আউট’ নোটিস জারির পর বাড়ির মালিকের হদিশ পেতে একাধিক দল গড়ে পুলিশ। তিন-চারটি দল তার সম্ভাব্য গোপন আস্তানাগুলিতে তল্লাশি চালায়। পুলিশ সেক্টর ২৩-এর অভিযুক্তের মালিকানাধীন ‘হরিরাম পেইন্টস অ্যান্ড হার্ডওয়্যার’ দোকানটিতেও অভিযান চালায় যদিও ওই দোকানটি গত দু’দিন ধরে তালাবদ্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ওই দোকানটি পনেরো বছরের পুরনো। হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী হিসাবে এলাকায় পরিচিতি ছিলেন হরিরাম গুপ্ত। গুপ্ত পরিবারের একাধিক বাড়ি রয়েছে সেক্টর ২৩ এবং পালাম বিহারে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রাথমিক তদন্তে পর পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছে অবস্থিত ওই এলাকায় একাধিক বাড়ি মেসবাড়ি বা পিজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বেশিরভাগ বাড়ির নিচেই রয়েছে বেসমেন্ট। শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টির জেরে অভিশপ্ত এই বাড়ির নিচে জল জমেছিল। এরই মাঝে বেসমেন্টে চলছিল নির্মাণ কাজ। যার জেরেই ওই বহুতলের ভিত দুর্বল হয়ে সেটি ভেঙে পড়ে বলে অনুমান। এমনকী বাড়িটি নির্মাণের ক্ষেত্রেও নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছিল। পুরসভার দাবি, রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিংয়ের উচ্চতা সর্বাধিক ১৭.৫ মিটার হতে পারে। যদিও বাড়িটির উচ্চতা ছিল বেশি।

উল্লেখ্য, রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ দিল্লির চাণক্যপুরীর কাছে মোতিবাগ এলাকায় ভারী বৃষ্টির জেরে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাড়িটি। খবর পেতেই তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের আটটি ইঞ্জিন। পরে আরও বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। স্থানীয়দের দাবি, ওই ভবনটিতে বহু পড়ুয়া পেইং গেস্ট হিসেবে থাকতেন। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় বহু পড়ুয়াই বাড়িতে ছিলেন। এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, ওই বাড়িতে অন্তত ৫০ জন পড়ুয়া ছিলেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশের একটি বাড়ির পেইং গেস্ট পড়ুয়া জানান, দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে দৌড়ে এসে তিনি বেশ কয়েকজনের আর্তনাদের আওয়াজ শুনতে পেয়েছিলেন।

এদিকে দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লিখেছেন, “দিল্লির সত্য নিকেতনে একটি ভবন ধসে পড়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। যাঁরা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করছে।” এদিকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেছেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবন অমূল্য। যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এই দুর্ঘটনাকে ‘অত্যন্ত বেদনাদায়ক’ এবং ‘এড়ানো সম্ভব ছিল এমন এক মর্মান্তিক ঘটনা’ বলে অভিহিত করেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.