Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Satabdi Roy

‘মিস ইউ দিদি’, হাত ছাড়লেও শতাব্দীর হৃদয়ে এখনও মমতা! কেন এমন বললেন তিনি?

বিদ্রোহী এই সাংসদ স্পষ্ট জানান, যেদিন কালীঘাটের বৈঠকে যাই, সেদিনই বুঝে গিয়েছিলাম, তৃণমূলের সঙ্গে আর নয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ১২:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ১২:২০

options
link
‘মিস ইউ দিদি’, হাত ছাড়লেও শতাব্দীর হৃদয়ে এখনও মমতা! কেন এমন বললেন তিনি? zoom
ফাইল ছবি।

মনে কি দ্বিধা রেখে গেলে চলে! তৃণমূল সাংসদের বক্তব্য, রবি ঠাকুরের এই লাইনটাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। দিদিকে ছেড়ে গিয়েও মনটা পড়ে রইল সেই কালীঘাটেই? যে দিদি তাঁকে চারবার সাংসদ করলেন, সেই দিদিকে ছেড়ে যেতে কি মনে একটু দ্বিধা রয়ে যাচ্ছে অভিনেত্রী তথা বীরভূমের একাধিকবারের সাংসদ শতাব্দী রায়ের? সম্প্রতি সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শতাব্দীর কথায় মিলল তেমনই ইঙ্গিত! কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে যে সমস্ত সাংসদরা বিক্ষুব্ধ শিবিরে নাম লিখিয়েছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম শতাব্দী রায়। গত সোমবার রাতে দিল্লিতে তাঁর বাড়িতেই বসেছিল বৈঠক। যেখানে উপস্থিত ছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছেন শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। নির্দ্বিধায় বলেছেন তাঁর অনুভূতির কথা।

রাজনৈতিক মহলে অনেকেই আলোচনা করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে শতাব্দী রায়ের রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা হত না, সাংসদ হওয়া তো দূরের কথা। আর আজ যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কাছে শতাধিক আসনের ফারাকে হেরে গিয়েছে, তখন সেই তৃণমূল নেত্রী তথা ‘দিদি’ মমতাকে ছেড়ে এসে কি ঠিক করেছেন শতাব্দী? ওই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলছেন, রাজনৈতিক দিক থেকে ঠিকই করেছি। তবে আবেগ দিয়ে ভাবলে নীতিগত দিক থেকে হয়ত ঠিক নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত মিটিং মিছিলে তাঁকে সামনে সারিতে দেখা যেত, আজ শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠক করার পর সেই শতাব্দী রায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে মমতাকে কি বার্তা দিতে চান তিনি? উত্তরের সাংসদ বলেন, ”মিস ইউ দিদি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেন ছাড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের হাত? কীসের এত অভিমান? এক্ষেত্রে শতাব্দীর যুক্তি, পরাজয়ের আসল কারণটা মানছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আর সেখানেই তাঁর আপত্তি। শতাব্দীর বক্তব্য, দুর্নীতিই যে আসল কারণ তা জলের মতো পরিষ্কার। কিন্তু তারপরও সেটা কিছুতেই মানতে চাইলেন না দলনেত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ২০২৬ এর বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরই কালীঘাটে বৈঠক ডেকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে এহেন পরাজয় কেন? তা নিয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করেছিলেন শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, হার মানতে রাজি নন তৃণমূল সুপ্রিমো। সংবাদমাধ্যমের সামনে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, আমি হারিনি আমাকে হারানো হয়েছে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতেও রাজি হননি তিনি। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে শতাব্দী রায় বলেন, আমাদের কাউকে আমাদের মত প্রকাশ করতে দেওয়া হয়নি। পরিষ্কার বলে দেওয়া হয়, তোমার যদি কিছু বলার থাকে তাহলে লিখে জানাও।

ওই সাক্ষাৎকারে বিদ্রোহী এই সাংসদ স্পষ্ট জানান, যেদিন কালীঘাটের বৈঠকে যাই, সেদিনই বুঝে গিয়েছিলাম, তৃণমূলের সঙ্গে আর নয়। ঠিক কি চেয়েছিলেন দলনেত্রীর কাছ থেকে? তাঁর বক্তব্য, ”আমরা চেয়েছিলাম হারের কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করা হোক। আইপ্যাক এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে আলোচনা হোক। দুর্নীতি একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু দলনেত্রী এই বিষয়ে আলোচনায় রাজি হননি। সেদিনই বুঝেছিলাম, এই দলে কোনও পরিবর্তন, কোনও নতুন ধারণা কিংবা রদবদল চান না। এভাবেই সব চলতে থাকবে।” তবে এই সমস্ত রাজনীতি বা নীতির কথা পিছনে ফেলে দিলে আবেগের দিক থেকে মমতাকে ছেড়ে আসার পিছনে একটা খারাপ লাগা রয়েছে শতাব্দীর। তিনি মানেন, আবেগের দিক থেকে বিষয়টি খুব একটা সহজ নয়। শতাব্দী বলেন, ”মানতে পারছি না যে আমি দিদির সঙ্গে নেই। আমার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য খারাপ লাগছে।” তবে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাবে কিনা সেই প্রশ্নের উত্তরে শতাব্দী বলেন, ”এখন কোনও অপশন নেই, কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করাই একমাত্র উপায়।” তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিনই কোনও জোটে নিজেকে সেকেন্ড ম্যান হিসেবে রাখতে চাইবেন না বলেই দাবি বিদ্রোহী সাংসদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.