Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Russian oil

রুশ তৈলবাহী জাহাজকে ভিড়তে দিল না আদানি বন্দর! ১০ লক্ষ ব্যারেল তেল-সহ রাস্তা বদল ট্যাঙ্কারের

গর্ভে রুশ তেল থাকলেও জাহাজটি মালয়েশিয়ার বলে জানা গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৩:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৩:০৭

options
link
রুশ তৈলবাহী জাহাজকে ভিড়তে দিল না আদানি বন্দর! ১০ লক্ষ ব্যারেল তেল-সহ রাস্তা বদল ট্যাঙ্কারের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রুশ তেল নিয়ে কূটনৈতিক সংঘাতের মাঝেই রাশিয়ার তৈলবাহী জাহাজকে ভিড়তে দিল না আদানি বন্দর। মঙ্গলবার ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য বৈঠকের মাঝেই এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে। জানা যাচ্ছে, আদানি বন্দর জাহাজটিকে ভিড়তে না দেওয়ায় ১০ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল-সহ গতিপথ বদল করেছে জাহাজটি।

জানা যাচ্ছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আমেরিকা ও ব্রিটেনের কালো তালিকাভুক্ত জাহাজগুলিকে নিজেদের বন্দরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদানিরা। ভারতে আদানিদের ১৪টি বন্দরে লাগু রয়েছে এই নিষেধাজ্ঞা। এই অবস্থায় গুজরাটে আদানিদের মুন্দ্রা বন্দরে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল রুশ তৈলবাহী মালয়েশিয়ার নোবেল ওয়াকর নামের ওই জাহাজটি। তবে সেখানে প্রবেশের অনুমতি না মেলায় গতিপথ বদল করে সেটি। জাহাজ ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম LSEG এবং Kpler থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নোবেল ওয়াকর বর্তমানে মুন্দ্রা বন্দরকে পাশ কাটিয়ে গুজরাটের ভাদিনা বন্দরের দিকে রওনা হয়েছে।

Advertisement

ভারতের মুন্দ্রা বন্দর দেশের অন্যতম প্রধান তৈল আমদানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন, HPCL মিত্তাল এনার্জি লিমিটেড (HMEL) নিয়মিতভাবে এই বন্দর থেকে তেল আমদানি করে। তবে গত সপ্তাহে আদানি গ্রুপের তরফে ঘোষণা করা হয়, দেশে তাদের দ্বারা পরিচালিত ১৪টি বন্দরে ভিড়তে পারবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আমেরিকা ও ব্রিটেনের কালো তালিকাভুক্ত জাহাজগুলি। যার জেরেই নোবেল ওয়াকরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি আদানিদের বন্দরে। তবে শুধু ওয়াকর নয়, আদানিদের কোপে পড়েছে স্পার্টান নামে আরেকটি নিষিদ্ধ সুয়েজম্যাক্স ট্যাঙ্কার। সোমবার মুন্দ্রা বন্দরের কাছেই নোঙর করা ছিল জাহাজটি। এতেও রয়েছে ১০ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল। নিষেধাজ্ঞার জেরে সেই তেল বন্দরে খালাস করা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার থেকে তেল আমদানি ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে কেন্দ্র। যার জেরে মার্কিন কোপের মুখে পড়েছে ভারত। ৫০ শতাংশ শুল্কের কোপ সহ্য করলেও রুশ তেল আমদানি যে বন্ধ করা হবে না তা বুঝিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। তবে এক্ষেত্রে রাশিয়ার তেল বহন করলেও জাহাজটি মালয়েশিয়ার। তার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকার জেরে এই পদক্ষেপ। ফলে রুশ তেল কেনার সঙ্গে এই পদক্ষেপের যোগ খোঁজা একেবারেই উচিত নয় বলে জানিয়েছে ওয়াকিবহাল মহল। রুশ তেল ভারত আগেও যেমন কিনত এখনও তেমনই কিনছে। জাহাজে নিষেধাজ্ঞা জারি হলেও রুশ তেল কেনায় কোনও প্রভাব পড়েনি।  

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.