মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই ঘোষণা করে দিয়েছেন, বাংলায় অনুপ্রবেশকারীদের আর কোনও ঠাঁই নেই। তাদের সোজা বিএসএফের হাতে তুলে দিয়ে পুশব্যাক করা হবে। এবার সেই একই সুর শোনা গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের গলাতেও। তিনি সাফ বলছেন, “বাংলায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না।” বিজেপি রাজ্য সভাপতির প্রশ্ন, “অন্যদেশিদের কেন আমরা খাইয়ে-দাইয়ে পুষব।”
বিজেপির রাজ্য সভাপতির সাফ কথা, “ভারতে বসে যারা পাকিস্তানের কথা বলেছে, যারা বলেছে লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান, যারা বলেছে হাসকে লিয়া পাকিস্তান, লড়কে লেঙ্গে হিন্দুস্তান, তাদের ভারতের মাটিতে কোনও জায়গা হবে না।” শমীকের বক্তব্য, “বাংলায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। যারা পাকিস্তানপন্থী তাদের কেন আমরা খাইয়ে দাইয়ে পুষব!”
আরও পড়ুন:
রাজ্যে আগের সরকার থাকাকালীন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলতেন, তিনি রাজ্যে ডিটেনশন ক্যাম্প হতে দেবেন না। মমতার বক্তব্য ছিল, রাজ্যে কাউকে বেনাগরিক করা হবে না। তাই ডিটেনশন ক্যাম্পের কোনও প্রয়োজন নেই। আর বিজেপির বক্তব্য, ডিটেনশন ক্যাম্পের কোনও ঝামেলাই থাকবে না। বিজেপি ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট নীতিতে বিশ্বাস করে। গেরুয়া শিবিরের সাফ কথা, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর মাধ্যমে শনাক্তকরণ হয়েছে। এবার তাঁদের খুঁজে বের করা হবে। যারা অনুপ্রবেশকারী তাঁদের বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। বিএসএফ তাঁদের পুশব্যাক করবে। এই প্রক্রিয়ায় ডিটেনশন ক্যাম্পের কোনও জায়গা নেই।
দিন দুই আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। তারপর প্রটোকল মেনে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) হাতে অনুপ্রবেশকারীদের তুলে দেবে বিএসএফ। এর ফলে দ্রুত ‘ঘুসপেটিয়া’দের বাংলা থেকে তাড়ানো যাবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
৪ মাস আগে গোপনে বিয়ে সিয়া-চেতনের! তারপরই কেতনকে সরানোর ষড়যন্ত্র, পুণে কাণ্ডে নয়া মোড়
-
সক্রিয় মৌলবাদী-রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি! ২০০ দাঙ্গাকারী চিহ্নিত, বারুইপুরে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
-
‘সিঙ্গুরে মরণাপন্ন মমতাকে বাঁচান বাবা-মা’, এবার আন্দোলন নিয়ে ‘দিদি’কে খোঁচা কাকলিপুত্রের
-
‘আর কত নারী বর্বরতার শিকার হবে?’, বারুইপুর গণধর্ষণ কাণ্ডে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান শুভশ্রী
-
জিআই ট্যাগ পেল শান্তিনিকেতনের বাটিক, বাড়িতেই বানিয়ে নিন এই প্রিন্টের কাপড়