Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
Samik Bhattacharya

‘বাংলায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না’, দিল্লি থেকে বিরাট ঘোষণা শমীকের

দিন দুই আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ।

Advertisement
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ২১:৪১

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ২১:৪১

options
link
‘বাংলায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না’, দিল্লি থেকে বিরাট ঘোষণা শমীকের zoom
শমীক ভট্টাচার্য। ফাইল ছবি।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই ঘোষণা করে দিয়েছেন, বাংলায় অনুপ্রবেশকারীদের আর কোনও ঠাঁই নেই। তাদের সোজা বিএসএফের হাতে তুলে দিয়ে পুশব্যাক করা হবে। এবার সেই একই সুর শোনা গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের গলাতেও। তিনি সাফ বলছেন, “বাংলায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না।” বিজেপি রাজ্য সভাপতির প্রশ্ন, “অন্যদেশিদের কেন আমরা খাইয়ে-দাইয়ে পুষব।”

বিজেপির রাজ্য সভাপতির সাফ কথা, “ভারতে বসে যারা পাকিস্তানের কথা বলেছে, যারা বলেছে লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান, যারা বলেছে হাসকে লিয়া পাকিস্তান, লড়কে লেঙ্গে হিন্দুস্তান, তাদের ভারতের মাটিতে কোনও জায়গা হবে না।” শমীকের বক্তব্য, “বাংলায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। যারা পাকিস্তানপন্থী তাদের কেন আমরা খাইয়ে দাইয়ে পুষব!”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজ্যে আগের সরকার থাকাকালীন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলতেন, তিনি রাজ্যে ডিটেনশন ক্যাম্প হতে দেবেন না। মমতার বক্তব্য ছিল, রাজ্যে কাউকে বেনাগরিক করা হবে না। তাই ডিটেনশন ক্যাম্পের কোনও প্রয়োজন নেই। আর বিজেপির বক্তব্য, ডিটেনশন ক্যাম্পের কোনও ঝামেলাই থাকবে না। বিজেপি ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট নীতিতে বিশ্বাস করে। গেরুয়া শিবিরের সাফ কথা, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর মাধ্যমে শনাক্তকরণ হয়েছে। এবার তাঁদের খুঁজে বের করা হবে। যারা অনুপ্রবেশকারী তাঁদের বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। বিএসএফ তাঁদের পুশব্যাক করবে। এই প্রক্রিয়ায় ডিটেনশন ক্যাম্পের কোনও জায়গা নেই।

দিন দুই আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। তারপর প্রটোকল মেনে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) হাতে অনুপ্রবেশকারীদের তুলে দেবে বিএসএফ। এর ফলে দ্রুত ‘ঘুসপেটিয়া’দের বাংলা থেকে তাড়ানো যাবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.