রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা ও পাঠ্যক্রম নিয়ে চলা আলোচনার মাঝেই ইতিবাচক বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, রাজ্যের সিলেবাসে কোনও পরিবর্তন আনা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকারই। তবে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে তুলে ধরেই তিনি বলেন, ”রংধনু নয়, পড়ুয়ারা রামধনুই পড়বে।” বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্যকে অনেকেই বাংলা ভাষার প্রাচীন ও শুদ্ধ শব্দচর্চার প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা হিসেবে দেখছেন।
‘রামধনু’ শব্দটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বহুদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সেই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপরই জোর দিতে তিনি চেয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।
আরও পড়ুন:
‘রামধনু’ শব্দটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বহুদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সেই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপরই জোর দিতে তিনি চেয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।
বিজেপির দাবি, মাতৃভাষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে শিক্ষাকে আরও গভীরভাবে যুক্ত করাই তাদের লক্ষ্য। নতুন প্রজন্ম যাতে বাংলা ভাষার সমৃদ্ধ শব্দভাণ্ডার ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে, সেই ভাবনাকেই সামনে আনা হয়েছে এই মন্তব্যের মাধ্যমে। রাজ্যে শিক্ষার মানোন্নয়ন, মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা এবং ভারতীয় সংস্কৃতির বিভিন্ন দিককে পাঠক্রমে গুরুত্ব দেওয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই জাতীয় স্তরে আলোচনা চলছে। সেই আবহেই শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্য রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি শিক্ষামহলেও আগ্রহ তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব়্যাপার থেকে খুনে গ্যাংস্টার! গুরুগ্রাম এনকাউন্টারে খতম সেই দীপক নান্দালের দলের ৪ দুষ্কৃতী
-
মরক্কোর হারে চোখে জল নোরার, ‘প্রেমিক’ হাকিমির জন্য কী লিখলেন?
-
‘ভারত যেদিন খেলবে, রাত জাগব’, বিশ্বকাপে এবার ‘ছোট’ দলকে চ্যাম্পিয়ন দেখতে চান তথাগত
-
জ্যোতিষী থেকে কোটিপতি, তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানকে ‘ডিমথেরাপি’, কাদা-গোবর মাখাল জনতা!
-
আসানসোলে ‘সরাসরি দিদিভাই’, পুরমন্ত্রীর নির্দেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জি টি রোডে বুলডোজার অ্যাকশন!