সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আজম খান কি সমাজবাদী পার্টি ছাড়বেন? ২ বছর পর উত্তরপ্রদেশের বাহুবলী নেতা জেলমুক্ত হওয়ার পরই তাঁকে নিয়ে জল্পনা।
একাধিক ফৌজদারি মামলার জেরে ঠাঁই হয়েছিল জেলে। অবশেষে ২৩ মাস পর জেল থেকে ছাড়া পেলেন সমাজবাদী পার্টির প্রবীণ নেতা তথা উত্তরপ্রদেসের প্রাক্তন ক্যাবিনেট মন্ত্রী মহম্মদ আজম খান। মঙ্গলবার তিনি সীতাপুর জেল থেকে বের হন। তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন সমাজবাদী পার্টির কয়েকশো কর্মী-সমর্থক। জেল থেকে বেরিয়েই দ্রুত রামপুরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাননি আজম।
নানা প্রশাসনিক জটিলতায় ৭৭ বছরের আজম খানের জেল থেকে বের হতে প্রায় দু’ঘণ্টা বিলম্ব হয়। কারণ, তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি পুরনো মামলায় জামিনের জন্য বন্ডের টাকা ঠিকমতো জমা হয়নি। এই প্রক্রিয়ায় বন্ডটি সম্পন্ন করে জেল প্রশাসনের কাছে পাঠানোর প্রয়োজন ছিল, যা কেবল আদালত খোলার পরেই সম্ভব হত। এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর আজম খানকে মুক্তি দেওয়া হয়। সমাজবাদী পার্টির অভিযোগ, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আজম খানকে জেলে আটকে রাখার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। সীতাপুর প্রশাসন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জেলের আশপাশের এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১৬৩ ধারার অধীনে জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু বিপুল সংখ্যক সমর্থক তাদের যানবাহন নিয়ে জেলের কাছাকাছি পৌঁছতে সক্ষম হয়, যার ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়। সপা নেতৃত্ব জানিয়েছে, দশবারের প্রাক্তন বিধায়ককে উত্তরপ্রদেশ সরকার মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে।
সমাজবাদী পার্টি আজমের পাশে দাঁড়ালেও, তিনি নিজে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা উসকে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের সঙ্গে তাঁর কথাই হয়নি। নিজের সমর্থকদের সঙ্গে মিশলেও জেল থেকে রামপুর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় যে সপা সমর্থকরা তাঁকে স্বাগত জানাতে জড়ো হয়েছিলেন, তাঁদের সেভাবে সময় দেননি।
সর্বশেষ খবর
-
অতি ভারী বৃষ্টিতে ভাসল কলকাতা, উত্তর থেকে দক্ষিণের একাধিক রাস্তা জলমগ্ন!
-
ভয়াবহ ভূমিকম্পে কলম্বিয়ায় হাহাকার, তাসের ঘরের মতো ভাঙছে বাড়ি! মৃত অন্তত ৭৭
-
এখনই চূড়ান্ত নয়, ওবিসি জটিলতায় একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগপত্র প্রদান স্থগিত!
-
টানা অনশনে শারীরিক অবস্থার অবনতি! হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল ঝাড়খণ্ডের ‘ওয়াংচুক’কে
-
চিনা মাঞ্জায় গলা কাটল বাইক আরোহী পুলিশ অফিসারের! মা ফ্লাইওভারে বাড়ল টহলদারি