Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Sachin Tendulkar

নিট বিক্ষোভ নিয়ে এবার মুখ খুললেন শচীন, কী বললেন ‘লিটল মাস্টার’?

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা-সহ একগুচ্ছ দাবিতে যন্তর মন্তরে চলছে প্রতিবাদ কর্মসূচি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৬, ১৪:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৬, ১৪:১৭

options
link
নিট বিক্ষোভ নিয়ে এবার মুখ খুললেন শচীন, কী বললেন ‘লিটল মাস্টার’? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

যন্তর মন্তরে আরশোলাদের নিট বিক্ষোভ নিয়ে এযাবৎ মুখ খুলেছেন বহু সেলেব্রিটি। এবার মুখ খুললেন ‘লিটল মাস্টার’ শচীন তেণ্ডুলকর (Sachin Tendulkar)। জানালেন, সম্মিলিতভাবে এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে আর কখনওই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।

এক্স হ্যান্ডলে শচীন লিখেছেন, ‘আমার বাবা একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি অনেক তরুণ শিক্ষার্থীর পরামর্শদাতা ও পথপ্রদর্শক ছিলেন। তিনি শুরু থেকেই আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছিলেন— ব্যর্থ হওয়াটা দোষের কিছু নয়, কিন্তু তা বলে প্রতারণা করাটা ঠিক নয়। কখনওই শর্টকাট বা সহজ পথ বেছে নেবে না। সমাজের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সংস্কৃতি গড়ে তোলার দায়ভার আমাদেরই। যে সমাজ কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেয়, সেখানে যোগ্যতার চেয়ে শর্টকাট বা সহজ পথকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। আজ শিক্ষার্থীরা যখন কঠোর পরিশ্রমের উপযুক্ত প্রতিদান না পেয়ে হতাশ হয়, তখন তাদের সেই অনুভূতিটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই সম্মিলিতভাবে আমাদের এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে যাতে তাদের আর কখনওই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।’

Advertisement

এরপর তিনি লিখেছেন, ‘তরুণ ভারত স্বপ্ন ও প্রাণশক্তিতে ভরপুর। তারাই আমাদের সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি। অভিভাবক, শিক্ষক, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা— সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষেরই বিশাল দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের তরুণরা যাতে সর্বদা উৎসাহ ও উদ্দীপনা বজায় রাখতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আমাদের প্রত্যেকেরই ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করতে হবে। আমাদের এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে যেখানে কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি মেলে, সততাকে উৎসাহিত করা হয় এবং যোগ্যতার জয় হয়। আমি নিশ্চিত যে, আমরা সবাই মিলে এমন সব সমাধান খুঁজে বের করবই যা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎকে সুদৃঢ় করবে। এবং তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলিকে সুরক্ষিত রাখবে। জয় হিন্দ!’

উল্লেখ্য, অলিম্পিকের মঞ্চে প্রথম ভারতীয় হিসাবে ব্যক্তিগত স্বর্ণপদক জেতা অভিনব বিন্দ্রাও মুখ খুলেছেন এই ইস্যুতে। স্পষ্ট জানিয়েছেন, কিছু বিষয় থাকে যা গোটা দেশবাসীরই। যাবতীয় ভেদাভেদ ভুলে গোটা দেশ এই বিষয়গুলোর দ্বারা প্রভাবিত হয়। অন্যদিকে ভারতীয় টেনিসের কিংবদন্তি সানিয়া মির্জা জানিয়েছেন, ‘পড়ুয়াদের কণ্ঠস্বর শোনা দরকার, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার করা দরকার। আমাদের সমাজে হিংসার কোনও স্থান নেই। দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে আমাদের কাজ করতে হবে।’ 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.