Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
RSS

‘গণতান্ত্রিক সমাজে ভিন্নমত স্বাভাবিক’, ককরোচ জনতা পার্টি নিয়ে উদ্বেগ ওড়াল আরএসএস

গত কয়েক সপ্তাহে দেশের সবচেয়ে চর্চিত বিষয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। খাতায়কলমে কোনও রাজনৈতিক দল না হলেও জনপ্রিয়তার নিরিখে দেশের বড় দলগুলিকে পিছনে ফেলে দিয়েছে এই ‘পার্টি’। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপক কটাক্ষ করেন, ‘বিজেপি নিজেকে বিশ্বের বৃহত্তম পার্টি হিসাবে দাবি করে। কিন্তু ওদের টপকে যেতে আমাদের মাত্র চারদিন লাগল।’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ২০:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ২০:২৪

options
link
‘গণতান্ত্রিক সমাজে ভিন্নমত স্বাভাবিক’, ককরোচ জনতা পার্টি নিয়ে উদ্বেগ ওড়াল আরএসএস zoom
ককরোচ জনতা পার্টি নিয়ে মুখ খুলল আরএসএস।
Advertisement

ভারতীয় গণতন্ত্রে সকল কণ্ঠস্বর এবং আবেগকে স্থান দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। দেশের প্রতি আস্থা রয়েছে ‘জেন জি’র। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে ভিন্নমত স্বাভাবিক। ককরোচ জনতা পার্টিকে ঘিরে তৈরি হওয়া ‘উদ্বেগ’ উড়িয়ে এমনটাই বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের নেতা সুনীল আম্বেকার।

শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুনীল বলেন, “আমরা একটি সচেতন সমাজে বসবাস করি। ভারতবর্ষ গণতান্ত্রিক দেশ। সেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে আমাদের স্বচ্ছ নির্বাচন, উন্মুক্ত গণমাধ্যম এবং এখন সামাজিক মাধ্যমও রয়েছে। তাই আমি বিশ্বাস করি, গণতন্ত্রে যে কোনও ধরনের আলোচনা এবং মতপ্রকাশে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। এগুলিকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ারই একটি অংশ হিসাবে বিবেচনা করা উচিত।” তরুণ প্রজন্মের কথা বলতে গিয়ে আরএসএস নেতা বলেন, “ভারতের যুবসমাজ দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী। আমাদের গণতন্ত্রে প্রত্যেকের কণ্ঠস্বর ও অনুভূতিকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রয়েছে। দেশের গণতন্ত্র এবং যুব সমাজের উপর আরএসএস-এর পূর্ণ আস্থা আছে।”

Advertisement

গত কয়েক সপ্তাহে দেশের সবচেয়ে চর্চিত বিষয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। খাতায়কলমে কোনও রাজনৈতিক দল না হলেও জনপ্রিয়তার নিরিখে দেশের বড় দলগুলিকে পিছনে ফেলে দিয়েছে এই ‘পার্টি’। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপক কটাক্ষ করেন, ‘বিজেপি নিজেকে বিশ্বের বৃহত্তম পার্টি হিসাবে দাবি করে। কিন্তু ওদের টপকে যেতে আমাদের মাত্র চারদিন লাগল।’ এই পোস্ট করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, এক্স থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির হ্যান্ডেল।

বলা বাহুল্য, কেন্দ্রের নির্দেশেই বন্ধ করা হয়েছে সিজেপির এক্স অ্যাকাউন্ট। আইবির তরফ থেকে দাবি করা হয়ে, এই অ্যাকাউন্টটি জাতীয় সুরক্ষার জন্য বিপজ্জনক। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের কথায়, “এই অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও অন্যায় মন্তব্য করা হয়নি, উসকানিমূলক পোস্টও করা হয়নি। কিছু সামাজিক ইস্যুতে পোস্ট করা হয়েছে স্রেফ। তাহলে কেন রুখে দেওয়া হচ্ছে এই অ্যাকাউন্টের কার্যাবলি? উত্তর দেয়নি কেন্দ্র।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.