Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Anil Ambani

প্রায় ৩ হাজার কোটির ঋণ, মাত্র ২৬ কোটিতে শোধ! অনিল আম্বানির ‘দুর্নীতি’তে তাজ্জব সুপ্রিম কোর্টও

প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণায় অভিযুক্ত অনিল আম্বানি। সেই শিল্পপতির সংস্থার বিরুদ্ধে মামলার তদন্তে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে এল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৬, ১৬:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৬, ১৬:৩১

options
link
প্রায় ৩ হাজার কোটির ঋণ, মাত্র ২৬ কোটিতে শোধ! অনিল আম্বানির ‘দুর্নীতি’তে তাজ্জব সুপ্রিম কোর্টও zoom
অনিল আম্বানি। ফাইল চিত্র।
Advertisement

প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণায় অভিযুক্ত অনিল আম্বানি। সেই শিল্পপতির সংস্থার বিরুদ্ধে মামলার তদন্তে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে এল। সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে ইডি জানিয়েছে, অনিল আম্বানির কয়েকটি সংস্থার বিরুদ্ধে যে ২৯৮৩ কোটি টাকার ঋণ খেলাপির অভিযোগ উঠেছিল সেই ঋণ নামমাত্র খরচে মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। কত কম খরচে? মাত্র ২৬ কোটি টাকায়।

খোদ ইডির রিপোর্টেই ওই তথ্য উঠে এসেছে। বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে ঋণ মিটমাটের ক্ষেত্রে যে আইনের ফাঁক গোলে আদানিদের সংস্থা বেরিয়ে গিয়েছে। তা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেছে খোদ শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ গোটা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইডির রিপোর্টে বলা হয়েছে, অনিল ধীরুভাই আম্বানি (Anil Ambani) গ্রুপের বিরুদ্ধে ৪০০০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতিতে তদন্ত চলছিল। এর মধ্যে ২৯৮৩ কোটির ঋণ মাত্র ২৬ কোটির বিনিময়ে মিটিয়ে নিয়েছেন অনিল আম্বানি।

Advertisement

মোট আটটি ‘ননব্যাঙ্কিং’ অর্থনৈতিক সংস্থা এ ব্যাপারে মধ্যস্থতা করেছে। ‘Project Help’ নামের বিশেষ কর্মসূচিতে বকেয়া ঋণের নিষ্পত্তি হয়। গোটা প্রক্রিয়া যেভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে তাতে রীতিমতো তাজ্জব সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট ইডি এবং সিবিআইকে মামলার গতি বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছে। যাতে দ্রুত স্বচ্ছ , পক্ষপাতমুক্ত তদন্ত সম্পন্ন করা যায়। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মামলার তদন্ত শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে ইডিকে।

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক অনিল ও তাঁর বিভিন্ন সংস্থার অ্যাকাউন্টকে ‘প্রতারক’ বলে ঘোষণা করেছে। যা নিয়ে মামলাও চলছে বিভিন্ন আদালতে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া ঋণের টাকা অন্যত্র সরানোর অভিযোগ উঠেছে রিলায়্যান্স এডিএজি গোষ্ঠীর বিভিন্ন সংস্থা এবং তার কর্ণধার অনিলের বিরুদ্ধে। এ জন্য তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.