সোমবার সকাল থেকে রাজধানীতে একেবারে টানটান উত্তেজনা! দফায় দফায় বৈঠক, স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের। ভেঙে চুরমার তৃণমূল। তাও আবার কিনা যখন খোদ সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন দিল্লিতে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, দিনের শেষে ফের একপ্রস্থ বৈঠকে বিদ্রোহী বিধায়করা। এবার বীরভূমের চারবারের সাংসদ শতাব্দী রায়ের দিল্লির বাসভবনে। যেখানে উপস্থিত খোদ শুভেন্দু অধিকারী। আর এই বৈঠক ঘিরেই তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। এবার লোকসভার কায়দায় রাজ্যসভাতেও ‘অপারেশন লোটাস।’ তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে বিদ্রোহী সাংসদের দাবি, এটাই শুধুই সান্ধ্য আড্ডা তথা চা-চক্র।
এই বিষয়ে আরও খবর
দিনের শেষে ফের একপ্রস্থ বৈঠকে বিদ্রোহী বিধায়করা। এবার বীরভূমের চারবারের সাংসদ শতাব্দী রায়ের দিল্লির বাসভবনে। যেখানে উপস্থিত রয়েছেন খোদ শুভেন্দু অধিকারী। আর এই বৈঠক ঘিরেই তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা।
তবে সূত্রের খবর, এদিন সকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে শতাব্দী রায়, আবু তাহের, খলিলুর রহমান, অসিত মাল বিক্ষুব্ধদের দলে যোগ দিলেও নিজেদের কিছু সমস্যার কথা বলেন। তার পরেই বিকেলে দিল্লির বাড়িতে সান্ধ্য চা চক্রের আয়োজন করেন সাংসদ শতাব্দী রায়। তাঁদের সমস্যার সমাধান করতে সাংসদের বাড়িতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই এক এক করে আসতে থাকেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অসিত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশ বাসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী-সহ একের পর এক বিদ্রোহী সাংসদ। ওই বৈঠকে সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর। লোকসভার পর এবার টার্গেট রাজ্যসভা। সেখানেও একই নকশায় ভাঙন ধরাতে পারে বিজেপি। চা চক্রের ফাঁকে তা নিয়েও এদিন আলোচনা হতে পারে বলে খবর।
সূত্রের খবর, এদিন সকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে শতাব্দী রায়, আবু তাহের, খলিলুর রহমান, অসিত মাল বিক্ষুব্ধদের দলে যোগ দিলেও নিজেদের কিছু সমস্যার কথা বলেন। তার পরেই বিকেলে দিল্লির বাড়িতে সান্ধ্য চা চক্রের আয়োজন করেন সাংসদ শতাব্দী রায়। তাঁদের সমস্যার সমাধান করতে সাংসদের বাড়িতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী।
বলে রাখা প্রয়োজন, এদিন সকালেই বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন বিদ্রোহী সাংসদরা। এরপরেই স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি দেন তাঁরা। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-তে যোগ দিতে চেয়ে এই চিঠি দেন ২০ জন সাংসদ। রাজনৈতিকমহলের ব্যাখ্যা, বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে পদক্ষেপ করার দাবি তুলতে পারবেন না তৃণমূল। কারণ, এই পদক্ষেপ এড়াতে বিদ্রোহীদের দুই তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু এর থেকে অনেক বেশি সাংসদ সংখ্যা রয়েছে বিদ্রোহীদের সঙ্গে। এক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদ লোকসভায়। এরমধ্যে ২০ জনই বিদ্রোহী।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
দলে ভাঙনের মধ্যেই সোনিয়া সাক্ষাতে মমতা, কী কথা হল?
-
রাজ্য মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন মুখ্যমন্ত্রীর, কে কোন বিভাগের মন্ত্রী হচ্ছেন?
-
অন্ধকারে আলোর রেখা! প্রীতি ম্যাচ ৩৬ ধাপ উপরে থাকা তাজিকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্র ভারতের
-
সুজিত বসুর পর উজ্জ্বল বিশ্বাস, গ্রেপ্তার আরও এক প্রাক্তন মন্ত্রী, এবার ত্রাণচুরির অভিযোগ
-
রাজস্থানে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঝলসে মৃত অন্তত ৭



