সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছত্তিশগড় হাইকোর্টে এক নাবালিকার অপহরণ, ধর্ষণ এবং খুনের একটি মামলার শুনানি চলছিল। সেখানেই মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম নিয়ে বড় রায় দিল আদালত। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম একটি অতি ভয়ংকর অপরাধ। যদিও এই কাজকে আইনত ধর্ষণ বলা যাবে না, পকসো আইনের আওতায়ও পড়ে না। ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’ ওয়েবসাইটে হাই কোর্টের এই নজিরবিহীন পর্যবেক্ষণ প্রকাশিত হয়েছে।
এক নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্ষণ এবং খুনের মামলা উঠেছিল ছত্তিশগড় হাই কোর্টে বিচারপতি রমেশ সিং এবং বিচারপতি বিভু দত্ত গুরুর বেঞ্চে। শুনানিতে মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গমের বিষয়টিও উঠেছিল। আইনি খবর পরিবেশনকারী ওয়েবসাইটে ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুনানি পর্ব শেষ হলে বিচারপতির বেঞ্চের নির্দেশনামায় লেখা হয়েছে, মৃতদেহকে সঙ্গম একটি ভয়াবহ অপরাধ। যদিও ভারতীয় দণ্ডবিধি কিংবা পকসো আইনে এই অপরাধের জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। নির্যাতিতা জীবিত থাকলে তবেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে ধরা যায়।
ছত্তিশগড় হাই কোর্টের এই মামলায় নাবালিকাকে অপহরণ, খুন, এমনকী খুনের পরেও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। আগেই দুই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল নিম্ন আদালত। মূল অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। দ্বিতীয় জনের সাত বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। নাবালিকাকে মৃত্যুর পর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল দ্বিতীয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। যদি সেই অভিযোগ খারিজ করে দেয় নিম্ন আদালত। যদিও সাজা কমাতে ছত্তিশগড় হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় অভিযুক্তেরা। যদিও তাতে কাজ হয়ি। নিম্ন আদালতের রায়-ই বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে