Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Ram Mandir

বারো হাজারের বেতনে ২৫ লাখের ফ্ল্যাট! রাম মন্দিরের ‘চোর’ লবকুশের সম্পত্তি দেখে থ পুলিশ

যে জমিতে লবকুশ বাড়ি নির্মাণ করছিলেন তা কেনা হয়েছিল স্ত্রী সুপ্রিয়ার নামে। ৮.৮ লক্ষ টাকা দিয়ে ওই জমি তিনি কিনেছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ২০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ২০:০২

options
link
বারো হাজারের বেতনে ২৫ লাখের ফ্ল্যাট! রাম মন্দিরের ‘চোর’ লবকুশের সম্পত্তি দেখে থ পুলিশ zoom
তদন্তে নেমে পুলিশ থ হয়ে গিয়েছে লবকুশের বাড়ি দেখে।
Advertisement

রাম মন্দিরে চুরির ঘটনায় উঠে এসেছে তাঁর নাম। তিনি লবকুশ মিশ্র। অভিযোগ, অনুদান গোনার সঙ্গে জড়িত রমাশংকর মিশ্রের জামাই লবকুশ চুরি করা অর্থের বখরা করতেন। তাঁর বাড়ি থেকে বিপুল টাকা মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তে নেমে পুলিশ থ হয়ে গিয়েছে লবকুশের বাড়ি দেখে। মাসে বারো হাজারের মাইনে পাওয়া লবকুশ নাকি হাঁকাচ্ছিলেন ২৫ লাখি বাড়ি! তবে বাড়ির নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই তিনি পুলিশের জালে!

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, যে জমিতে লবকুশ বাড়ি নির্মাণ করছিলেন তা কেনা হয়েছিল স্ত্রী সুপ্রিয়ার নামে। ৮.৮ লক্ষ টাকা দিয়ে ওই জমি তিনি কিনেছিলেন। জমিটির বর্তমান বাজারদর ও নির্মীয়মাণ বাড়িটি সম্পূর্ণ করার খরচ সব মিলিয়ে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা হতে চলেছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। দোতলা বাড়িটির আয়তন প্রায় একহাজার বর্গ ফুট। বাড়িটি প্রায় তৈরি হয়েই গিয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ চলছিল। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতেই বাড়িটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল বলে জানাচ্ছেন প্রতিবেশীরা। তবে লবকুশের গ্রেপ্তারির পর বাড়ির কাজ আপাতত বন্ধ। কেমন জীবনযাপন ছিল লবকুশের? প্রতিবেশীরা অবশ্য জানাচ্ছেন, বেশ সাদামাটা জীবনযাপনই করত তাঁর পরিবার। অনেকেরই বিশ্বাস হচ্ছে না, এত পরিমাণ টাকা লবকুশ হাতিয়েছেন!

Advertisement

প্রসঙ্গত, সিটের রিপোর্টে উঠে এসেছে, রামমন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই ধনরাশির একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলছে না৷ নগদ টাকা এবং গয়নার পাশাপাশি মন্দিরের হেফাজত থেকে গায়েব দানে পাওয়া রুপোর তৈরি ভূষূণ্ডির কাকও। তদন্ত চলাকালীন আরও জানা গিয়েছে, ট্রাস্টের একাধিক শীর্ষকর্তা জানতেন মন্দিরের অনুদান চুরির বিষয়টি। কিন্তু পুলিশে কেন অভিযোগ দায়ের হল না? তাহলে কি চুরির ঘটনা আড়াল করতে চাইছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ? কার স্বার্থে বা কাকে বাঁচাতে অভিযোগ দায়ের হয়নি? সূত্রের খবর, অনুদান গোনার কর্মীদের বদলাতে চেয়েছিল ব্যাঙ্ক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। এখানেই প্রশ্ন রাঘব বোয়ালরা আড়ালে থেকে যাচ্ছেন না তো? আপাতত সেই প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.