Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Rajnath Singh

চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রাজনাথের, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ‘পাকবন্ধু’ বেজিংকে কড়া বার্তা

এসসিও বৈঠকের মাঝেই বৈঠকে রাজনাথ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৫, ১১:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৫, ১১:৩৪

options
link
চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রাজনাথের, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ‘পাকবন্ধু’ বেজিংকে কড়া বার্তা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনে চিনকে চার দফা প্রস্তাব দিল ভারত। শুক্রবার চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাডমিরাল ডং জনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানেই সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে দু’পক্ষে। সূত্রের খবর, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি বজায় রাখতে চারটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বেজিংকে।

এসসিও সামিট চলাকালীনই বৈঠকে বসেছেন দুই মন্ত্রী। সূত্রের খবর, চিনের কাছে চারটি প্রস্তাব রেখেছেন রাজনাথ। প্রথমত, গতবছর সেনা সরানোর পরিকল্পনা বহাল রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, সীমান্তের দুই প্রান্তে শান্তি বজায় রাখা যেন দুই দেশের ভৌগলিক সীমারেখায় কোনও পরিবর্তন না হয়। এছাড়াও দুই দেশের মতবিরোধ মেটাতে বিশেষ প্রতিনিধিদের দায়িত্ব দিতে হবে। চতুর্থত এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ‘পাকবন্ধু’ চিনকে দিল্লির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে অপারেশন সিঁদুর হল পাক মদতপুষ্ট সীমান্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের নৈতিক অবস্থান।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ানে সীমান্ত ইস্যুতে ভারত ও চিনের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত চরম আকার নিয়েছিল। এরপর টানা ৫ বছর ধরে দফায় দফায় বৈঠকের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে দুই দেশের সম্পর্ক। গালওয়ানের পর ডেমচক, দেপসাংয়ে সেনা মোতায়েন করেছিল দুই দেশ। সেই সেনা প্রত্যাহারও শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অতীতের দুঃসময়কে দূরে সরিয়ে চিনের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে রাজনাথের এই চিন সফর। অপারেশন সিঁদুরের পর সন্ত্রসাবাদ নিয়ে চিনকে অবগত করানোও উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর।

ডংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন রাজনাথ। সেখানে তিনি লেখেন, ‘দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। প্রায় ৬ বছর পর ফের মানস সরোবর যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই নিয়েও আমরা অত্যন্ত খুশি। এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই বজায় রাখতে হবে দুপক্ষকে যেন আগামী দিনে নতুন করে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়।’ তবে কি সংঘাত এড়িয়ে আগামী দিনে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হবে নয়াদিল্লি-বেজিংয়ের?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.