Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Raj Thackeray

১৩ বছর পর প্রথমবার, উদ্ধবের জন্মদিন পালনে মাতোশ্রী’তে রাজ ঠাকরে

বালাসাহেব ঠাকরের মৃত্যুর পর শেষবার মাতোশ্রীতে যান রাজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৫, ১৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৫, ১৩:৫৫

options
link
১৩ বছর পর প্রথমবার, উদ্ধবের জন্মদিন পালনে মাতোশ্রী’তে রাজ ঠাকরে zoom
ফাইল চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৩ বছর পর ‘মাতোশ্রী’তে প্রবেশ করলেন মহারাষ্ট্র নব নির্মাণ সেনার প্রধান রাজ ঠাকরে। শেষবার তিনি মাতোশ্রীতে গিয়েছিলেন বালাসাহেব ঠাকরের মৃত্যুর পর। এবার গেলেন উদ্ধব ঠাকরের জন্মদিন পালনের উদ্দেশে।

ঠাকরে পরিবারে ভাঙনের দুদশক হতে চলল। সেই ২০০৫ সালে শিব সেনা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন রাজ ঠাকরে। ২০০৬ সালে নিজের দল গড়েন বালাসাহেব ঠাকরের ভাইপো। তারপর সেভাবে উদ্ধবের পরিবারের ছায়াও মাড়াতে দেখা যায়নি রাজকে। নিতান্তই পারিবারিক বা অন্য কোনও অনুষ্ঠানে দেখা হয়ে গেলে একে অপরকে উপেক্ষা করারই চেষ্টা করেন দুই তুতো ভাই। কিন্তু রবিবার অন্য ছবি দেখা গেল। তুতো ভাই উদ্ধবের জন্মদিন পালনের জন্য রাজ মাতোশ্রীতে গেলেন। অনুগামীরা বলছেন, এতেই ঠাকরে পরিবারের একটা বৃত্ত সম্পন্ন হল।

Advertisement

আসলে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে বেশ কিছুদিন ধরেই একটা কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে নাকি বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের নির্বাচনে একসঙ্গে লড়তে চলেছে শিব সেনার উদ্ধব গোষ্ঠী এবং রাজ ঠাকরের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা। আসলে সদ্যই মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে দু’দলের। উদ্ধব কোনওরকমে মুম্বই এলাকায় নিজের অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রেখেছেন। আর রাজ ঠাকরে নিজের ছেলেকেও জেতাতে পারেননি। দুই দলই অস্তিত্বের সংকটে। তাই অস্তিত্ব বাঁচাতে পুরনো পারিবারিক বিবাদে ইতি টেনে এক ছাতার তলায় এসে গিয়েছেন ঠাকরেরা। ইতিমধ্যেই তাঁদের এক মঞ্চেও দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি মহারাষ্ট্র সরকারের ত্রিভাষা নীতির বিরুদ্ধে একসঙ্গে আন্দোলনে নেমেছেন তাঁরা। সেদিনের পর থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে একে অপরকে সমর্থন করছেন দুই ভাই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.