Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Rahul Gandhi

‘আরশোলা’দের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনা, আটক রাহুল-অখিলেশ-প্রিয়াঙ্কা

মঙ্গলবার দুপুরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে উপস্থিত হন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। তারপর সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন অর্থাৎ ৭, লোক কল্যাণ মার্গের উদ্দেশ্যে শুরু হয় মিছিল। সেখানে যোগ দেন অখিলেশও। এরপরই মোদির বাসভবনের বাইরে আঁটসাঁট করা হয় নিরাপত্তা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ২০:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ২০:২৯

options
link
‘আরশোলা’দের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনা, আটক রাহুল-অখিলেশ-প্রিয়াঙ্কা zoom
আটক করে পুলিশের গাড়িতে তোলা হচ্ছে রাহুলকে। ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

সোমবারের পর মঙ্গলবারও ফের উত্তাল রাজধানী। ‘আরশোলা’দের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের ধরনা। দিল্লি পুলিশের হাতে আটক সাংসদ রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদব। তাঁদের ছাড়াও আটক করা হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন কংগ্রেসে নেতা-কর্মীকে।

মঙ্গলবার দুপুরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে উপস্থিত হন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। তারপর সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন অর্থাৎ ৭, লোক কল্যাণ মার্গের উদ্দেশ্যে শুরু হয় মিছিল। সেখানে যোগ দেন অখিলেশও। এরপরই মোদির বাসভবনের বাইরে আঁটসাঁট করা হয় নিরাপত্তা। মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ। নামানো হয় র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স। বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অবিলম্বে ইস্তফা দিতে হবে। তোলেন স্লোগানও। ঘটনাস্থলে যান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। দেখা করেন রাহুলের সঙ্গে। কিন্তু তাঁর আশ্বাসের পরও সারারাত মোদির বাসভবনের বাইরে ধরনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস। 

Advertisement

এরপরই বিক্ষোভকারীদের হটাতে তৎপর হয় দিল্লি পুলিশ। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। রাহুল, অখিলেশ, প্রিয়াঙ্কা-সহ অন্যান্যদের তোলা হয় পুলিশের গাড়িতে। জিতেন্দ্রর অভিযোগ, কংগ্রেস নিজেদের দাবি বারবার পরিবর্তন করেছে। তিনি বলেন, “রাহুল আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন – সরকার যদি নিট-সহ বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনায় সম্মত হয়, তাহলে কংগ্রেস তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেবে। কিন্তু তিনি সেই কথা রাখেননি।” জিতেন্দ্র আরও বলেন, “আমরা রাহুলের দাবি মেনে নিয়েছিলাম, কিন্তু তিনি আবার নতুন দাবি করেন। বলেন, শিক্ষামন্ত্রীকে ইস্তফা দিতে হবে। দাবি পরিবর্তন নিয়ে রাহুলকে বলা হলে, তিনি উত্তর দেন – এখন দাবি বদলে গিয়েছে।”

বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, ‘ককরোচ’দের নিয়ে আসলে রাহুলের কোনও উদ্বেগ নেই। পুরোটাই তাঁর রাজনৈতিক কৌশল। সেই কারণেই তিনি বারবার তাঁর দাবিদাওয়া বদলাচ্ছেন। এর আগে আমেরিকায় গিয়ে তিনি ভারতের গণতন্ত্রের সমালোচনা করেছিলেন। অভিযোগ করেন, ভারতে গণতন্ত্র চাপের মুখে পড়েছে। সংসদ, বিচারব্যবস্থা ও সংবাদমাধ্যমের মতো গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলি শাসকদল ও আরএসএস-এর নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে। অন্যদিকে, আপ নেতা সোমনাথ ভারতী বলেন, “রাহুল গোটা বিষয়টিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছেন। তিনি আসলে বিজেপির চাপে রয়েছেন। তিনি যদি ছাত্র-যুবদের সমর্থন করতে চান, তাহলে তাঁর যন্তর মন্তরে যাওয়া উচিত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.