সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোভিডের থাবায় ফের বেসামাল শেয়ার বাজার? তেমনটাই ইঙ্গিত মিলল বৃহস্পতিবার। গত কয়েকদিন ধরে বেশ উর্ধ্বমুখী ছিল বাজার। কিন্তু গতকাল থেকে কোভিড ছড়ানোর ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বাজারে ধস নামল। একধাক্কায় হাজার পয়েন্টেরও বেশি পড়েছে সেনসেক্সের সূচক। এহেন পরিস্থিতিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিনিয়োগকারীরা।
অতিমারীর আতঙ্ক ফের ফিরতে শুরু করেছে। হংকং, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর-সহ এশিয়ায় লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। ভারতেও আক্রান্ত ২৫৭ জন। তার মধ্যে একমাত্র কেরলেই আক্রান্তের সংখ্যা ১৮২। অল্প পরিমাণে হলেও কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে মুম্বই, চেন্নাই, আহমেদাবাদের মতো বড় শহরগুলিতে। এহেন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন আমজনতাও।
এই আতঙ্কের প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারেও। বৃহস্পতিবার ১ হাজার পয়েন্টেরও বেশি পড়ে যায় সেনসেক্স। ধস নামে নিফটিতেও। ২৭৫ পয়েন্ট পতন হয় নিফটির সূচকে। দিনের শেষে অবশ্য কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ। সেনসেক্স আগের দিনের থেকে ৬০০ পয়েন্ট কম থেকেই বন্ধ হয়েছে শেয়ার বাজার। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আচমকা বাজারের ধস নামার নেপথ্যে কি করোনা আতঙ্ক?
ওয়েলথ মিলস সিকিয়োরিটিসে ইকুইটি স্ট্র্যাটেজিস্ট ক্রান্তি বাথিনির মতে, কোভিড বাড়াটা অবশ্যই চিন্তার বিষয়। শেয়ার বাজারের কয়েকটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে পতনের কারণ এই কোভিডের বাড়বাড়ন্ত। স্বাস্থ্য, ফার্মার মতো স্টকগুলি অবশ্য এই পরিস্থিতিতে বেশ উন্নতি করবে। যেহেতু কোভিড সংক্রমণ এখনও সেরকম মারাত্মক পর্যায়ে যায়নি, তাই এখনই ভাবিত হওয়ার মতো কিছু হয়নি। তবে কেবল কোভিড নয়, শেয়ার বাজারে ধসের নেপথ্যে আরও বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে বলেই মনে করছেন ক্রান্তি। বিশ্লেষকদের আরেকটি অংশের মতে, কোভিডের খবর এলেও বিনিয়োগকারীরা আগের মতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন না। বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলেও বিরাট মাপের বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই।
সর্বশেষ খবর
-
‘আমরা আসছি’, ভারত সফরের আগে সোশাল মিডিয়ায় বিশেষ বার্তা ব্রাজিল দলের
-
প্রোমোটারের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ! কনস্টেবলকে হাতেনাতে ধরল দুর্নীতি দমন শাখা
-
বাংলার পর অসমের মামলাতেও জামিন, ১৩ বছর পর বিরাট স্বস্তিতে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন
-
পুকুরে ভেসেই কাটছিল জীবন! অনন্ত আম্বানির হস্তক্ষেপে মুম্বইয়ে চিকিৎসা পাচ্ছে মুর্শিদাবাদের সেই ইকবাল
-
এবার রাজ্য ও জাতীয় টেবিল টেনিস দলকে স্পনসর করবে রাজ্যের পর্যটন দপ্তর! বড়সড় ইঙ্গিত মন্ত্রীর