Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
PM Modi-Marco Rubio

আমেরিকার ড্রাগন ভীতি! মোদি-সাক্ষাৎ শেষে ‘কোয়াড অস্ত্রে’ শান মার্কিন বিদেশসচিব রুবিওর

দিল্লি এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের পর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তাকে মাথায় রেখে কোয়াড অস্ত্রে শান দিলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৯:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৯:৩০

options
link
আমেরিকার ড্রাগন ভীতি! মোদি-সাক্ষাৎ শেষে ‘কোয়াড অস্ত্রে’ শান মার্কিন বিদেশসচিব রুবিওর zoom
মোদি-সাক্ষাৎ শেষে 'কোয়াড অস্ত্রে' শান মার্কিন বিদেশসচিব রুবিওর।
Advertisement

ঘাড়ের কাছে নিশ্বাস ফেলছে ড্রাগন। এই অবস্থায় ঝিমিয়ে পড়া কোয়াডকে চাঙ্গা করতে তৎপর আমেরিকা। সেই লক্ষ্যেই দিল্লি এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে সাক্ষাতের পর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তাকে মাথায় রেখে কোয়াড অস্ত্রে শান দিলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও (Marco Rubio)। জানালেন, বিদেশসচিব হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমার প্রথম বৈঠক ছিল কোয়াড বৈঠক। আমরা সেটাই পুনরায় শুরু করতে চলেছে। কোয়াডকে সক্রিয় করতে ভারতের ভূমিকা যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেটাও এদিন স্পষ্ট করে দেন রুবিও।

ভারত-মার্কিন সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টানাপড়েনের জেরে কার্যত থমকে গিয়েছিল কোয়াডের কার্যকলাপ। সম্প্রতি এ বিষয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি অবশ্য জানিয়েছেন, কোয়াড সংক্রান্ত কাজকর্ম জারি রয়েছে। চার দেশ নিজেদের মধ্যে যে সমন্বয় বজায় রেখে চলে, তা-ও মজবুত। তবুও সাম্প্রতিক কালে আমেরিকার নানা কার্যকলাপে প্রশ্নের মুখে পড়েছিল কোয়াড। ভারতকে বাদ রেখে অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং ফিলিপিন্সের সঙ্গে ‘স্কোয়াড’ও গড়েছিল ওয়াশিংটন। যদিও সেই কৌশল যে ফলপ্রসূ হয়নি। ইন্দো-প্যাসিফিক বা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ‘ড্রাগনে’র আগ্রাসনে ওয়াশিংটন যে সিদুঁরে মেঘ দেখছে তা স্পষ্ট। আর তাই চিনকে শায়েস্তা করতে ভারতই এখন আমেরিকার তুরুপের তাস আমেরিকার।

Advertisement

রুবিও বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যেকার সম্পর্কই ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ে আমাদের চিন্তাভাবনার ভিত্তি।’

মোদি সাক্ষাতের পর এদিন রুবিও বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যেকার সম্পর্কই ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ে আমাদের চিন্তাভাবনার ভিত্তি।’ দিল্লিতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘বিদেশমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক ছিল কোয়াড বৈঠক। আমরা সেটা এখানেই করতে চেয়েছিলাম, শুধু এই কারণে নয় যে আমরা সেই জোটের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বরং এই কারণেও যে, ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ে আমাদের চিন্তাভাবনায় ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’

উল্লেখ্য, বিশ্বে মার্কিন আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে শুরু করেছে চিন। উদ্বেগ উসকে ইন্দো-প্যাসিফিক বা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমে আগ্রাসী হয়ে উঠছে ‘ড্রাগন’। কৃত্রিম দ্বীপে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে তারা। ফলে বিপন্ন ‘ওপেন ট্রেড রুট’ বা মুক্ত বাণিজ্যপথ। লাল ফৌজের তৎপরতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। বাইডেন জমানায় নাম না করে বেজিংকে কড়া বার্তা দিয়েছে কোয়াড গোষ্ঠী। আমেরিকা স্পষ্ট করে দিয়েছে কোয়াড কারও বিরুদ্ধে নয়, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর কোয়াড।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.