Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
Manjeet Kaur

৭ সপ্তাহের গর্ভবতী ছিলেন চণ্ডীগড়ের ইনফ্লুয়েন্সর! নৃশংস হত্যার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ঘটনার সূত্রপাত গত ৩ জুলাই। মনজিৎকে দেখা করতে বলেছিলেন তাঁর পরিচিত দুই যুবক। অভিযোগ, মনজিৎ তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সেখানে জোর করে তাঁকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৫:২৯

options
link
৭ সপ্তাহের গর্ভবতী ছিলেন চণ্ডীগড়ের ইনফ্লুয়েন্সর! নৃশংস হত্যার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য zoom
ইনফ্লুইয়েন্সর মনজিৎ কৌর।
Advertisement

সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সর মনজিৎ কৌর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সামনে এল নয়া তথ্য। জানা যাচ্ছে, মৃত্যুর আগে ৭ সপ্তাহের গর্ভবতী ছিলেন তিনি। ওই অবস্থাতেই নৃশংস নির্যাতনের পর তাঁকে গাছে বেঁধে জীবন্ত জ্বালিয়ে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। পরিবারের তরফে পুলিশের বিরুদ্ধেও গাফিলতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন তিনি পুলিশকে বয়ান দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু থানা তাঁর বয়ান নেয়নি।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৩ জুলাই। মনজিৎকে দেখা করতে বলেছিলেন তাঁর পরিচিত দুই যুবক। অভিযোগ, মনজিৎ তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সেখানে জোর করে তাঁকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। মোরিন্ডা নামে এক জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। এখানেই থামেনি দুষ্কৃতীরা। মনজিৎকে গাছে বেঁধে তাঁর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৯ জুলাই চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআরে স্থানান্তর করা হয় মনজিৎকে। সেখানেই গত ২৬ আগস্ট মৃত্যু হয় মনজিতের।

Advertisement

পরিবারের তরফে পুলিশের বিরুদ্ধেও গাফিলতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন নির্যাতিতা পুলিশকে বয়ান দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, থানা তাঁর বয়ান নেয়নি।

জানা যাচ্ছে, হাসপাতালে দীর্ঘদিন অচৈতন্য অবস্থায় ছিলেন মনজিৎ। গত ৫ আগস্ট জ্ঞান ফিরলে পরিবারকে সেদিনের ঘটনার কথা জানান নির্যাতিতা। পরিবারের দাবি, মনজিৎ পুলিশের কাছে বয়ান দিতে চেয়েছিল। সেই মতো থানায় খবরও দেওয়া হয়। কিন্তু সেই বয়ান সময়মতো রেকর্ড করা যায়নি। যদিও সে অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। তাঁদের দাবি, মনজিতের পরিবারের সঙ্গে সবরকম ভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার পরিবারের তরফে ২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

চণ্ডীগড়ের ডেপুটি পুলিশ সুপার গুরজিৎ কৌর জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ-সহ যাবতীয় তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে কেন তাঁকে খুন করা হল তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশের তরফে জানা যাচ্ছে, মনজিৎ বিবাহবিচ্ছিন্না। তাঁর ৭ বছরের এক সন্তান রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের সন্দেহ, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে তাদের একজনের সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন মনজিৎ। কোনও অশান্তির জেরে পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ আকার নেয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.