Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Arvind Kejriwal

‘পাঞ্জাব নির্বাচনেই মোদির পতন হবে’, হুঙ্কার কেজরিওয়ালের

সম্প্রতি দিল্লিতে পাঞ্জাবের আপ সাংসদদের উদ্দেশ্যে একটি ভাষণ দিয়েছেন কেজরিওয়াল। সেখানে তিনি বলেন, “বিজেপি অসম, বাংলা, মহারাষ্ট্র, বিহার, দিল্লি এবং আরও বেশ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। তবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে পাঞ্জাবে নির্বাচন রয়েছে। আর সেই নির্বাচনই বিজেপির অশ্বমেধের ঘোড়াকে থামাবে। শুধু তা-ই নয়, পাঞ্জাব নির্বাচনই নরেন্দ্র মোদি সরকারের পতন ঘটাবে। এরপর থেকে মোদি আর একটি নির্বাচনেও জয়লাভ করতে পারবেন না।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ১৬:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ১৬:৪৭

options
link
‘পাঞ্জাব নির্বাচনেই মোদির পতন হবে’, হুঙ্কার কেজরিওয়ালের zoom
অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ফাইল ছবি।
Advertisement

বঙ্গ জয়ের পর বাড়তি অক্সিজেন পেয়েছে বিজেপি। গেরুয়া ঝড়ে ভেঙে গিয়েছে তৃণমূলের ‘সবুজ দুর্গ’। এই পরিস্থিতিতে হুঙ্কার দিয়ে আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বললেন, “আগামী বছর পাঞ্জাব নির্বাচনেই মোদির পতন হবে।” পাশাপাশি, তিনি জানান, পাঞ্জাব নির্বাচনের পর ধীরে ধীরে দেশ থেকে মুছে যাবে বিজেপি।

সম্প্রতি দিল্লিতে পাঞ্জাবের আপ সাংসদদের উদ্দেশ্যে একটি ভাষণ দিয়েছেন কেজরিওয়াল। সেখানে তিনি বলেন, “বিজেপি অসম, বাংলা, মহারাষ্ট্র, বিহার, দিল্লি এবং আরও বেশ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। তবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে পাঞ্জাবে নির্বাচন রয়েছে। আর সেই নির্বাচনই বিজেপির অশ্বমেধের ঘোড়াকে থামাবে। শুধু তা-ই নয়, পাঞ্জাব নির্বাচনই নরেন্দ্র মোদি সরকারের পতন ঘটাবে। এরপর থেকে মোদি আর একটি নির্বাচনেও জয়লাভ করতে পারবেন না।” সম্প্রতি ৭ আপ সাংসদ গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের ‘শত্রু’ আখ্যা দিয়ে কেজরিওয়াল বলেন, “দলবদলু সাংসদরা আপের ক্ষতি করেছেন। এই সাতটি আসন কারও সম্পত্তি নয়। সেগুলি পাঞ্জাবের। সেখানকার জনগণের। বিজেপি এগুলি চুরি করেছে।” 

Advertisement

অন্যদিকে, বঙ্গ ভোট নিয়েও মুখ খুলেছেন আপ প্রধান। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন শুধু একটি নির্বাচন ছিল না। গত চার মাস ধরে আমরা রাজ্যজুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা দেখেছি। বিহার এবং মহারাষ্ট্রের কৌশল এখানে অবলম্বন করা হয়েছিল। দিল্লিতেও আমি সেই পরিস্থিতি স্বচক্ষে দেখেছি। আমি জেলে যাওয়ার আগে আমার নির্বাচনী এলাকায় ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ভোটার ছিলেন। কিন্তু আমার মুক্তির পর সেই সংখ্যা কমে ১ লক্ষ ৬ হাজার হয়ে গিয়েছে। ৪২ হাজার ভোটারকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল।” তাঁর সংযোজন, “বাংলায় অবৈধ উপায়ে বিজেপি জিতেছে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.