স্বাধীন ভারতের স্থিতাবস্থায় ব্যাঘাত ঘটাতে সবচেয়ে বড় শত্রু পাকিস্তান ও তাদের মদতপুষ্ট সন্ত্রাস। গত ৮০ বছর ধরে এই শত্রুতার যেন শেষ নেই! কিন্তু ভারতের সেনাও জানে স্বদেশ আর স্বদেশবাসীকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে। সন্ত্রাস ছড়ানো পাকিস্তানকে সবক শেখানোর দায়িত্ব তাঁরা অত্যন্ত ভালোভাবেই পালন করেছে। দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণে সেই পাকিস্তানকেই কড়া বার্তা দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। বললেন, ‘‘অপারেশন সিঁদুর দেখিয়ে দিয়েছে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কড়া অ্যাকশন। জঙ্গিরা মাথাচাড়া দিলেই উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে। সন্ত্রাসে যারাই উসকানি দেবে, তাদের ফল ভুগতে হবে।” তাঁর বক্তব্যে উঠে এল সিন্ধু জলচুক্তির বিষয়টিও।
এদিন রাষ্ট্রপতি মুর্মুর ভাষণে উঠে আসে সন্ত্রাসবাদ ও পাকিস্তান প্রসঙ্গ। তাঁর কথায়, ‘‘সন্ত্রাসবাদী ও তাদের সহায়করা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন, এর পরিণাম ভোগ করতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে নিখুঁত আঘাত হানার ক্ষেত্রে ভারতীয় সেনার শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘‘সিঁদুর দেখেছে বিশ্ব। সন্ত্রাস মেনে নেওয়া হবে না। সেনাকে স্যালুট।”
আরও পড়ুন:
২০২৫ সালের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতীয় সেনার পরাক্রম দেখেছে গোটা বিশ্ব। পহেলগাঁওতে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি হামলায় ২৫ নিরীহ মানুষের মৃত্যুর পর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে সরাসরি আক্রমণ চালায় সেনা। সেসব ধ্বংস করে ভেঙে দেওয়া হয় তাদের কোমর। সেই বীরগাথা সযত্নে মনে রেখেছেন সকলে। একবছর পেরিয়েও তার গৌরব ফিকে হয়নি এতটুকু। এদিন রাষ্ট্রপতি মুর্মুর ভাষণে উঠে আসে সন্ত্রাসবাদ ও পাকিস্তান প্রসঙ্গ। তাঁর কথায়, ‘‘সন্ত্রাসবাদী ও তাদের সহায়করা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন, এর পরিণাম ভোগ করতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে নিখুঁত আঘাত হানার ক্ষেত্রে ভারতীয় সেনার শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘‘সিঁদুর দেখেছে বিশ্ব। সন্ত্রাস মেনে নেওয়া হবে না। সেনাকে স্যালুট।”
অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কে বহুস্তরীয় প্রতিকূলতা তৈরি হয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করা। এর জেরে কার্যত শুকিয়ে মরার দশা! প্রায় দেড়বছর পেরিয়ে সেই সিন্ধুর জল পেতেই এখন মরিয়া শাহবাজ শরিফ। আজই সরাসরি তিনি ভারতকে হুমকিও দিয়েছেন। ইসলামাবাদে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শরিফের হুঁশিয়ারি, ভুল করেও এমন কাজ করবেন না যাতে পাকিস্তানের জলের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়। মনে রাখবেন, পাকিস্তানের ‘প্রত্যেক জলের ফোঁটা’ আসলে ‘লক্ষণ রেখা’। এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে সেই প্রসঙ্গও টেনেছেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু। তাঁর কথায়, ‘‘সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখাটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি পদক্ষেপ ছিল। আমাদের কৃষকদের তো সমস্যায় পড়তে দিতে পারি না। জাতীয় স্বার্থরক্ষা আমাদের কাছে অগ্রাধিকার।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা