Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Madhya Pradesh

‘আমাকে ওরা মেরে ফেলবে’, প্রসবের আগে আশঙ্কা যুবতীর! সদ্যোজাত ও মায়ের মৃত্যুুতে প্রশ্ন

হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে পরিবার। তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল। সাসপেন্ড করা হয়েছে দুই নার্সিং স্টাফকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৬:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৬:২৭

options
link
‘আমাকে ওরা মেরে ফেলবে’, প্রসবের আগে আশঙ্কা যুবতীর! সদ্যোজাত ও মায়ের মৃত্যুুতে প্রশ্ন zoom
তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল।
Advertisement

‘বাবা আমাকে বাঁচাও’, সন্তান প্রসবের আগে এই কথাই বলেছিলেন যুবতী। একটি ভিডিওতে (ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডট ইন) দেখা গিয়েছে পরিবারকে তিনি বলছেন, “এই ভাবে চিকিৎসা চলতে থাকলে ওঁরা আমাকে মেরে ফেলবে।” এই মন্তব্য করার কয়েক ঘণ্টার পরই সন্তানের জন্ম দেন যুবতী। তারপরই নবজাতক ও মায়ের মৃত্যু হয়। হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে পরিবার। তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল। সাসপেন্ড করা হয়েছে দুই নার্সিং স্টাফকে। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের রেওয়া জেলায়।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে মৃতের নাম কল্পনা মিশ্র। বয়স ২৫ বছর। তিনি রেওয়া জেলার হাটওয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ২৫ আগস্ট রাতে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে রওয়ারই সঞ্জয় গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি ২৬ আগস্ট রাতে সিজারিয়ান পদ্ধতিতে তিনি সন্তানের জন্ম দেন। তারপর আর জ্ঞান ফেরেনি। তার ঘণ্টাখানেক আগে তিনি তাঁর পরিবারকে বলেছিলেন, “আমাকে নিয়ে যাও। ওরা মেরে ফেলবে।” যুবতীর বাবা জানিয়েছেন, “মেয়ে আমাকে বলেছিল, বাবা আমাকে নিয়ে চলো। ওরা মেরে ফেলবে।”

Advertisement

কেন এমন আশঙ্কা করেছিলেন যুবতী? কেনইবা এই আশঙ্কা করার ঘণ্টা খানেকের মধ্যে সন্তান ও তাঁর মৃত্যু হল? পরিবারের দাবি, চিকিৎসকরা কল্পনাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখার কথা বলেছিলেন। কিন্তু তা হয়নি। হাসপাতালের সুপারপ চিকিৎসক রাহুল মিশ্র জানিয়েছেন, “গর্ভবতী মহিলার ৮বার পরীক্ষা করা উচিত। কিন্তু পরিবার ২ বার করিয়েছিলেন। সেটা বেসরকারি হাসপাতালে। রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ায় তিনি জ্ঞান হারান।”

তিনি জানিয়েছেন, “কেন রোগীর জ্ঞান ফিরল না সেটি তদন্তের বিষয়। একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুই নার্সিং স্টাফকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কোনও গাফিলতি সামনে এলে শাস্তি হবে।” তবে তাঁর দাবি, চিকিৎসায় কোনও গাফিলতি ছিল না। ঘটনার তদন্ত চলছে। মৃতার বাবা বলেন, “কল্পনা আমার একমাত্র মেয়ে ছিল। আমাদের ছেড়ে চলে গেল। এর জন্য যারা দায়ী তাঁদের কড়া শাস্তি হওয়া উচিত।” তদন্ত চলছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.