Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
Prashant Kishor

‘লালুর ভয় দেখিয়ে জিততে চান মোদি’! দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে বিস্ফোরক প্রশান্ত কিশোর

প্রশান্ত কিশোরের দাবি, বিহারের মানুষ এবার জন সুরজের মধ্যে নতুন বিকল্প খুঁজছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০২৫, ১৪:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০২৫, ১৪:৪২

options
link
‘লালুর ভয় দেখিয়ে জিততে চান মোদি’! দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে বিস্ফোরক প্রশান্ত কিশোর zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম দফার নির্বাচন শেষ বিহারে। বিহারে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৬৪.৬ শতাংশ! রাজনৈতিক দলগুলি অঙ্ক কষতে ব্যস্ত। এরমাঝেই ফের মুখ খুলেছেন প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তাঁর দাবি, লালু প্রসাদ যাদবের ভয় মানুষের মনে ঢুকিয়ে জিততে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই এই কথা বলেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের ভোটারদের মধ্যে লালু প্রসাদ যাদবের ভয় ঢোকানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। এর মাধ্যমেই বিহারের ভোট বৈতরণী পার করার চেষ্টা করছেন মোদি। কিশোরের দাবি, বিহারের মানুষ এবার নতুন বিকল্প খুঁজছেন। সেই বিকল্প জন সুরজ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিশোর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদী আরজেডির ভয় দেখিয়ে ভোট পেতে চাইছেন কারণ তাঁর আর কিছু বলার নেই। গত কয়েক দশক ধরে, এনডিএ, বিজেপি এবং নীতিশ কুমারের ভোট পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হল লালুর ভয় দেখানো যাতে মানুষ বলতে পারে যে, কাজ শেষ হোক বা না হোক, অন্তত ‘জঙ্গলরাজ’ ফিরে আসেনি।” তাঁর দাবি, “কিন্তু এবার পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। যদি আপনি বলেন জঙ্গলরাজ ফিরে আসা উচিত নয়, তাহলে আপনি (এনডিএ) কেন? জন সুরজ একটি নতুন বিকল্প।”

কিছুদিন আগেই, আক্রমণাত্মক মেজাজে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, রা বিহারের বর্ষীয়ান বাসিন্দা, তাঁরা যেন নতুন প্রজন্মকে লালুপ্রসাদ যাদবের আমলের বিহারে অপরাধীদের বাড়বাড়ন্ত কেমন ছিল সেটা জানিয়ে দেন। ভিডিও কনফারেন্সে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমি বিহারের সমস্ত তরুণদের বলব, প্রতিটি বুথে সকল তরুণদের জড়ো করতে। আর সেই সঙ্গেই সেখানে সেই এলাকার বয়স্কদেরও জড়ো করতে। এবং তাঁদের জঙ্গলরাজের পুরনো গল্পগুলি সবাইকে শোনাতে অনুরোধ করার জন্য।” তাঁর দাবি ছিল, এনডিএ ও নীতীশ মিলে বিহারকে জঙ্গলরাজ থেকে বের করে এনে সেখানে আইনের প্রতিষ্ঠা করেন।

জঙ্গল রাজ হিসেবে বিহারে লালু যাদবের মুখ্যমন্ত্রীত্বের সময়কালের কথা বলা হয়। লালুর ছেলে তেজস্বী এবার মহাগঠবন্ধনের মুখ্যমন্ত্রী মুখ। বেশ কিছু বছর ধরে লালু সময়কালে বিহারের অবস্থা এবং জঙ্গলরাজের কথা হাতিয়ার করে ভোট জিতছে বিজেপি।

বিহারে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৬৪.৬ শতাংশ! ইতিহাস বলছে এর আগে কোনওদিন বিহারে এই হারে ভোট পড়েনি। এর আগে ২০০০ সালে ভোট পড়েছিল ৬২ শতাংশ। এবার সেই হারকেও ছাপিয়ে গিয়েছে বিহার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.