Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Dharmendra Pradhan's resignation

ধর্মেন্দ্রর বদলে নতুন শিক্ষামন্ত্রীর নাম ঘোষণা, কাকে দায়িত্ব দিলেন মোদি?

গৃহীত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুপারিশ মেনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু প্রধানের ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৬, ২১:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৬, ২১:০০

options
link
ধর্মেন্দ্রর বদলে নতুন শিক্ষামন্ত্রীর নাম ঘোষণা, কাকে দায়িত্ব দিলেন মোদি? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

গৃহীত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুপারিশ মেনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু প্রধানের ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন। তাঁর বদলে আপাতত অস্থায়ীভাবে প্রহ্লাদ জোশীকে শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের আস্থাভাজন প্রহ্লাদ এই মুহূর্তে উপভোক্তা, খাদ্য ও গণবণ্টন বিষয়ক মন্ত্রী হিসাবে কাজ করছেন। অতীতে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। এবার শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হল তাঁকে। চারবারের সাংসদ জোশী দীর্ঘদিন বিজেপির সংগঠনে কাজ করেছেন। ২০১২ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বিজেপির কর্নাটকের প্রদেশ সভাপতি ছিলেন। কেন্দ্রীয় বিজেপিতেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলেছেন।সংঘঘনিষ্ঠ হিসাবেও পরিচিতি রয়েছে প্রহ্লাদের। তাঁকেই শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হল। উপভোক্তা, খাদ্য ও গণবণ্টন বিষয়ক মন্ত্রী হিসাবেও কাজ করবেন তিনি।

Advertisement

ককরোচ জনতা পার্টি তথা জেন জি’র আন্দোলনের চাপে শনিবার সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সোশাল মিডিয়ায় তিনি জানান, ‘দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি।’ তাঁর দাবি, ‘ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।’ পরে এদিন বিকেলে রাষ্ট্রপতি সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফাপত্র পাঠানোর পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ জরুরি বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকেই সম্ভবত প্রধানের উত্তরসূরি কে হবেন, তাই নিয়ে আলোচনা হয়। পরে বিজেপি সভাপতি নীতীন নবীনের সঙ্গেও আলোচনা হয় শাহের। তারপরই ঠিক হয় দলের শীর্ষনেতৃত্বের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন প্রহ্লাদকেই আপাতত দায়িত্ব দেওয়া হবে। পরে মন্ত্রিসভার রদবদলের সময় স্থায়ী শিক্ষামন্ত্রী নিয়োগ করা হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.