নারী অবমাননায় কার্যত নয়া নজির কেরলের ডানপন্থী নেতার! ধর্ষণ নিয়ে তাঁর সাম্প্রতিকতম মন্তব্য বিতর্কের ঝড়। অভিযোগ, দিল্লিতে নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতৃত্বে পড়ুয়াদের আন্দোলন চলাকালীন কেরলের (Kerala) নেতা টিজি মোহনদাস (T.G. Mohandas) নিজের ইউটিউব চ্যানেলে মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘এধরনের বিক্ষোভে গণধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটতে পারে। অবশ্য মেয়েরা ধর্ষণ উপভোগই করে।” যার জেরে রবিবার রাতে কেরলের নেতাকে টিজি মোহনদাসকে নিজের বাড়ি থেকে আটক করেছে পুলিশ। তদন্তের জন্য তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মোহনদাসের ইউটিউব চ্যানেল ‘পত্রিকা’র বিতর্কিত ভিডিও ক্লিপিংস সংগ্রহ করে শুরু হয়েছে তদন্ত।
মোহনদাস নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দিল্লিতে পড়ুয়া বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি অত্যন্ত বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন বলে অভিযোগ। বিক্ষোভের বিরোধিতায় মোহনদাসের মন্তব্য ছিল, ‘‘দিল্লির পড়ুয়া বিক্ষোভের মাঝে গণধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটতে পারে। সেক্ষেত্রে কেউ অভিযোগও করবে না। কারণ, এখানে যেসব মেয়েরা শামিল হয়েছে, তারা ধর্ষণ উপভোগই করে।”
আরও পড়ুন:
কেরলের কোচির বাসিন্দা টিজি মোহনদাস ডানপন্থী রাজনীতির ‘মেন্টর’ বলে পরিচিত। তাঁর অবশ্য আরও নানা পরিচয় আছে। তিনি ইঞ্জিনিয়র, সমাজকর্মী, সাংবাদিকও। কেরলে রাজ্য বিজেপির আহ্বায়কের পদ সামলেছেন ৭১ বছরের মোহনদাস। তাঁর নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। সেখানেই দিল্লিতে পড়ুয়া বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি অত্যন্ত বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন বলে অভিযোগ। বিক্ষোভের বিরোধিতায় মোহনদাসের মন্তব্য ছিল, ‘‘দিল্লির পড়ুয়া বিক্ষোভের মাঝে গণধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটতে পারে। সেক্ষেত্রে কেউ অভিযোগও করবে না। কারণ, এখানে যেসব মেয়েরা শামিল হয়েছে, তারা ধর্ষণ উপভোগই করে।”
এই মন্তব্যে তুমুল বিতর্কের ঝড় ওঠে। তবে এখানেই শেষ নয়, ছাত্র আন্দোলন দমনে তিনি সরাসরি গুলিচালনার পরামর্শও দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ”কোনও বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে সরাসরি গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে হবে।” ধারাবাহিকভাবে এমন সব বিতর্কিত মন্তব্যের পর চাপে পড়ে মোহনদাসের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কোচি পুলিশ। রবিবার তদন্তের স্বার্থে মাত্তানচেরিতে মোহনদাসের বাড়িয়ে যায় পুলিশের একটি দল। সেসময় বাড়িতেই ছিলেন বিজেপি নেতা। তাঁর ইউটিউব চ্যানেলের যাবতীয় তথ্য, খুঁটিনাটি সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। এরপর তদন্তের স্বার্থে মোহনদাসকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। পুলিশ সূত্রে খবর, ইউটিউব চ্যানেলে ধর্ষণ সংক্রান্ত যে মন্তব্য করেছেন তিনি, তা সমাজের শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে, মানুষকে আতঙ্কিত করতে পারে। তাই মোহনদাসের বিরুদ্ধে বিস্তারিত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচার! দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার দালাল, কতদূর ছড়িয়ে জাল?
-
জেরায় একাধিক অসঙ্গতি, তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হোটেল মালিকের ছেলে
-
মুসলিমদের জন্য কেন আলাদা বেসিন! মার্কিন বিমানবন্দরের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ টেক্সসের গভর্নরের
-
আশিসের মৃত্যুর তদন্তে ফরেনসিক টিম-তৎপর সিআইডি, নজরে টিআরডিএ-র পুরনো দুর্নীতির অভিযোগও
-
‘হাম দো হামারে দো’, এবার দু’য়ের বেশি সন্তান ঠেকাতে আইন আনছে স্বাস্থ্যদপ্তর!