Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
PM Narendra Modi

‘জনবিন্যাস পালটাচ্ছে, অনুপ্রবেশকারী তাড়াবই’, SIR আবহে বঙ্গ সফরের আগে বার্তা মোদির

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ১৫:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ১৫:০২

options
link
‘জনবিন্যাস পালটাচ্ছে, অনুপ্রবেশকারী তাড়াবই’, SIR আবহে বঙ্গ সফরের আগে বার্তা মোদির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটমুখী বিহারে দাঁড়িয়ে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। একই সঙ্গে নয়া সংশোধনী সংবিধান বিল নিয়েও দিলেন বার্তা। আজ শুক্রবার বাংলায় একাধিক মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগেই বিহারের গয়ায় দাঁড়িয়ে একাধিক ইস্যুতে বার্তা দিলেন তিনি। স্পষ্ট করে দিলেন, অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তাঁর সরকার কড়া পদক্ষেপই করবে। 

নরেন্দ্র মোদি বলেন, “দেশে বাড়তে থাকা অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগের। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে দ্রুত জনবিন্যাসের দ্রুত বদল ঘটছে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, দেশের ভবিষ্যৎ কখনই অনুপ্রবেশকারীদের উপর নিয়ন্ত্রিত হতে পারে না। ফলে অনুপ্রবেশকারীদের দেশছাড়া করা হবে বলেও এদিন হুঙ্কার মোদির। এই বিষয়ে যারা অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন জানাচ্ছেন তাঁদেরকেও কার্যত সাবধান করে দেন।

Advertisement

বলেন,”দেশের মধ্যে বসে থাকা অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন জানাচ্ছেন। তাঁরা দেশের মানুষের অধিকার অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দিতে চায়। এক্ষেত্রে মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।” ইতিমধ্যে বিহারে এসআইআর অর্থাৎ বিশেষ নিবিড় সংশোধনী কার্যকর হয়েছে। যে কোনও সময় বাংলাতেও শুরু হতে পারে এসআইআর। যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। সুর চড়িয়েছে শাসকদল তৃণমূল। 

এরমধ্যেই বঙ্গ সফরের আগেই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মোদির বার্তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করেছে কেন্দ্রের সরকার। যা নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা।  ‘কালো আইন’ বলে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকার ফেলতেই এহেন বিল বলেও তোপ দেগেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। 

বিতর্কিত বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ”কোনও সরকারি কর্মী যদি ৫০ ঘণ্টার জন্য জেলে থাকেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই তাঁর চাকরি চলে যাবে, সেই গাড়ি চালকই হন বা ক্লার্ক বা পিওন। কিন্তু একজন প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী জেলে থেকেও সরকার চালাতে পারেন।”

এই প্রসঙ্গে নাম না করে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আক্রমণ শানিয়ে মোদি বলেন,”কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছি, কীভাবে জেল থেকে ফাইলে সই করা হয়েছে, কীভাবে সরকারি অর্ডার দেওয়া হয়েছে জেল থেকে। নেতারা যদি এ কাজ করেন, তাহলে আমরা দুর্নীতি বন্ধ করব কীভাবে।”

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ”এনডিএ সরকার দুর্নীতি বিরোধী আইন এনেছে, এমনকী প্রধানমন্ত্রীও সেই আইনের আওতায় পড়ছেন।” ফলে জেলে বসে কোনও ভাবেই যে সরকার  চালানো যাবে না তা এদিনে মোদির কথায় স্পষ্ট।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.