সোমবার ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র সংসদ অভিযানকে (CJP Protest) কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা দিল্লি। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের সেলও। সেই ঘটনায় ক্ষুব্ধ কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi )। তিনি বললেন, “প্রধানমন্ত্রীর উচিত ক্ষমা চাওয়া উচিত।”
মঙ্গলবার সংসদের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন রাহুল। তিনি বলেন, “গতকাল যা ঘটেছে তার জন্য মোদির ক্ষমা চাওয়া উচিত। কিন্তু তিনি এখনও নিশ্চুপ। মানুষকে মারধরের মতো ঘটনাগুলি একেবারেই ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী।” দেশের শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীরা যে সমস্যাগুলি তুলে ধরছেন, সেগুলিও উথ্থাপন করেন রাহুল। বলেন, “এই উদ্বেগ শিক্ষার গণ্ডি ছাড়িয়ে অনেক বড় একটি বিষয়।” দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা অস্তিত্বহীন এবং অন্তঃসারশূন্য হয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। আন্দোলকারীদের সমর্থন করে তিনি বলেন, “তাঁদের কোনও দোষ নেই। প্রধানমন্ত্রী কেন নীরব? তাঁর উচিত শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং অসংগত কর্মকাণ্ড বন্ধ করা।”
আরও পড়ুন:
দিল্লি পুলিশের তরফে অনুমতি না দেওয়া হলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার সকালে সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে ‘আরশোলা’দের এই অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় রাজধানী। ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। প্রায় ৫০০০ পুলিশ ও আধা সেনা নামিয়ে কার্যত ঘিরে ফেলা হয় যন্তর মন্তর চত্ত্বর। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। পরে আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে দুই ‘ককরোচ’ প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনায় বসেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা।
সর্বশেষ খবর
-
শুভেন্দুর নিহত আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথের মা নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী? তুঙ্গে জল্পনা
-
কাদা মাটিতে চাপ রক্ত! ময়নার পানের বরজে উদ্ধার হাত-পা বাঁধা মহিলার বিবস্ত্র দেহ
-
শিক্ষক দিবসের ফিস্টে প্রধান শিক্ষককেই মার পড়ুয়াদের! ভিডিও ভাইরাল হতেই অ্যাকশনে স্কুলশিক্ষা দপ্তর
-
কোমরে শিকল, টেনে হিঁচড়ে হাঁটানো হল রাস্তায়! তালিবানি কায়দায় কিশোরীকে অত্যাচার বাংলাদেশে
-
বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিধ্বংসী আগুন! বিপদ এড়াতে ছুটল দমকল, তারপর…