সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটমুখী বিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে দেখতে জনসমুদ্র, উঠল ‘মোদি মোদি’ স্লোগান! আর সেই উচ্ছ্বসিত জনতার দিকে তাকিয়ে মোদি গামছা নাড়লেন। শুক্রবাসরীয় মুজফফরপুর সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল এটাই। পরে সেখান থেকেই তিনি ছাপড়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন।
শুক্রবার মোদি মধুবনী প্রিন্টের একটি গামছা গলায় জড়িয়ে ছিলেন। জনতার উচ্ছ্বাস দেখার পর সেটাই তিনি ওড়াতে থাকেন। প্রায় আধ মিনিট ধরে। এই প্রথম নয়। এর আগে আগস্টেও বিহারে একটি সেতুর উদ্বোধন করতে এসেছিলেন মোদি। সেই সময়ই তাঁকে একই ভাবে জনতার উদ্দেশে গামছা নাড়ালেন মোদি।
তবে এই গামছা নাড়ানো কিন্তু নেহাতই শুভেচ্ছা বিনিময় নয়। এর গভীর তাৎপর্য রয়েছে বিহারের রাজনীতিতে। বাংলা ও বিহারের মতো রাজ্যে গামছা শ্রমজীবী মানুষ ও কৃষকদের সংগ্রামের প্রতীক। দেশের আরও বহু অঞ্চলেই গামছার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। রাজনৈতিক দলগুলি জনমোহিনী ভাবমূর্তি গড়তে অনেক সময়ই তাই গামছার আশ্রয় নেন। মোদিও এদিন গামছা নাড়ানোর মাধ্যমে শ্রমিক শ্রেণির সঙ্গে তাঁর সংযোগকেই যেন তুলে ধরলেন। যেন বলতে চাইলেন ‘আমি তোমাদেরই লোক…’
একদিন আগেই একযোগে রাহুল গান্ধী এবং তেজস্বী যাদবকে তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কটাক্ষ, বিহারে দুই নেতা নিজেদের ‘যুবরাজ’ বলে দাবি করেছে। তারা আসলে দুর্নীতির যুবরাজ। তাঁদের পরিবার আসলে দুর্নীতিগ্রস্ত পরিবার। বিহারে ২০ বছর ধরে ক্ষমতায় নীতীশ কুমার। এর বেশিরভাগ সময় এনডিএর শরিক হিসাবে। অথচ বিহারের ভোটপ্রচারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নীতীশ রাজের উন্নয়ন, সাফল্যের চেয়ে বেশি করে তুলে ধরছেন ২০ বছরের পুরনো ‘জঙ্গলরাজ’ প্রসঙ্গ নিয়ে। মোদি এদিন বললেন, পাঁচটি ‘ক’-কে কেন্দ্র করে এই ‘জঙ্গলরাজ’ প্রতিষ্ঠিত কাট্টা (দেশি বন্দুক), ক্রুরতা, কটুতা, কুশাসন, এবং দুর্নীতি।
সর্বশেষ খবর
-
কাচ বসানো বালা পরিয়ে বৃদ্ধার ৫০ লক্ষের হিরের গয়না হাতিয়ে পালায় আয়া! কী হল তারপর?
-
চুলের মুঠি ধরে মার! কলেজ প্রজেক্টের ছবি তুলতে গিয়ে হেনস্থার শিকার ৪ ছাত্রী
-
বাবা-ছেলেকে অপহরণ করে ১০ লক্ষ মুক্তিপণ দাবি! ধৃত ৩
-
নদীর চড় দখল করে বেআইনি নির্মাণ! ক্রমেই বাড়ছে হড়পা বানের আশঙ্কা
-
মণিপুরে অসম রাইফেলসের কনভয়ে বড়সড় হামলা! শহিদ ২ জওয়ান