Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
PM Modi

‘গরিবের কুঁড়ের সামনে ফটো সেশন…’, রাহুলকে নিশানা করতে রাজীবকেও বিঁধলেন মোদি

দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকেও আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৫, ২০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৫, ২০:৩৩

options
link
‘গরিবের কুঁড়ের সামনে ফটো সেশন…’, রাহুলকে নিশানা করতে রাজীবকেও বিঁধলেন মোদি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ”নিজেদের বিনোদনের জন্য অনেকে গরিবের কুঁড়ের সামনে ফটো সেশন করেন। তাঁরাই আবার সংসদে গরিবদের কথা বললে সেটা বোরিং বলে মনে করে।” এভাবেই লোকসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গেই নাম না করে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকেও কটাক্ষ করতে দেখা গেল তাঁকে। লোকসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের বক্তৃতায় এভাবেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেল মোদিকে। এদিকে তিনি জানালেন, দেশের জনতাই তাঁকে এই নিয়ে ১৪ বার এই ভাষণ দেওয়ার সুযোগ করে দিল।

এদিন মোদি বলেন, ”আমরা এখন ২০২৫-এ রয়েছি। অর্থাৎ একবিংশ শতাব্দীর ২৫ শতাংশ পেরিয়ে গিয়েছে। একমাত্র সময়ই এটা ঠিক করবে যে, বিংশ শতাব্দীতে স্বাধীনতা লাভের পরবর্তী সময় এবং একবিংশ শতাব্দীর প্রথম ২৫ বছরে কী ঘটেছিল। আমরা যদি রাষ্ট্রপতির ভাষণ মন দিয়ে পর্যবেক্ষণ করি, পরিষ্কার দেখতে পাব উনি আগামী ২৫ বছরে মানুষের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপনের কথা বলেছেন এবং বিকশিত ভারত গড়ার কথাও বলেছেন। ওঁর ভাষণ বিকশিত ভারতের প্রতিজ্ঞাকেই মজবুত করেছে।” পাশাপাশি তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ এদেশের মানুষের কাছে, যাঁরা আমাকে এই নিয়ে চোদ্দোবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সুযোগ দিলেন। আমি তাঁদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

Advertisement

তবে সেই সঙ্গেই বিরোধী দলনেতা রাহুলকে বিঁধে মোদি দাবি করেন, যাঁরা নিজেদের বিনোদনের জন্য কুঁড়েঘরের সামনে ফটো সেশন করেন, তাঁরাই সংসদে দারিদ্রের উল্লেখে ‘বোর’ হন। প্রসঙ্গত, গত মাসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণকে ‘বোরিং’ বলেছিলেন রাহুল। নাম না করলেও মোদি বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি কংগ্রেস নেতার কথাই বলছেন। একইভাবে রাজীব গান্ধীর উদ্দেশেও মোদি বলেন, ”এক প্রধানমন্ত্রীকে ‘মিস্টার ক্লিন’ বলাই দস্তুর। কিন্তু তিনি স্বীকার করেছিলেন, দিল্লি থেকে ১ টাকা পাঠানো হলে মানুষের কাছে মাত্র ১৫ পয়সা পৌঁছয়।”

একই সঙ্গে এদিন লোকসভায় মোদি বলেন, ”এখনও পর্যন্ত গরিবরা ৪ কোটি বাড়ি পেয়েছে। যাঁদের জীবন কাঠিন্যে ভরা, তাঁরাই বোঝেন বাড়ি প্রাপ্তির মূল্যটা ঠিক কী। এদেশের মহিলারা শৌচালয়ের অভাবের জন্য ভুগতেন। আমরা ১২ কোটির বেশি শৌচালয় নির্মাণ করেছি।” এরই সঙ্গে মোদির কথায় উঠে আসে বাজেটে মধ্যবিত্তের প্রসঙ্গ। ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত উপার্জনে করছাড়ের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ”২০০২ সালে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর লাগত না। কিন্তু এখন ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করছাড় দেওয়া হচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রীর দাবি, কোনও স্লোগানসর্বস্বতা নয়, দেশে প্রকৃত উন্নয়ন হয়েছে মোদি সরকারের আমলে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.