প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করলেন দেশের দ্রুততম মেট্রোর (India’s Fastest Metro)। উত্তরপ্রদেশের মীরাটে এই মেট্রোর সূচনা হল তাঁর হাতে। এই মেট্রোয় ৫৫ মিনিটে পৌঁছনো যাবে দিল্লিতে। ছুটবে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিবেগে। এরই পাশাপাশি ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-মিরাট র্যাপিড রেল করিডরেরও উদ্বোধন করলেন মোদি।
এদিন শতাব্দীনগর স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেখান থেকেই তিনি মীরাট মেট্রো ও নমো ভারত করিডর- দুইয়েরই উদ্বোধন করেন। জানা যাচ্ছে, ৮২ কিমি দীর্ঘ দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মীরাট নমো ভারত করিডর দেশের প্রথম রিজিওনাল র্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম। যা দিল্লির সরাই কালে খান ও উত্তরপ্রদেশের মোদিপুরমকে যুক্ত করবে। এদিকে মীরাট মেট্রোর দৈর্ঘ্য ২৩ কিমি। এই রেলপথের ১৬ কিলোমিটার পথ থাকবে মাটির উপরে। বাকি ৭ কিলোমিটার পথ রয়েছে ভূগর্ভে। সব মিলিয়ে থাকবে মোট ১৩টি স্টেশন। এর মধ্যে ৯টি স্টেশন এলিভেটরে নির্মিত। তিনটি ভূগর্ভে। কেবলমাত্র একটি স্টেশন রয়েছে অ্যাট-গ্রেড অবস্থানে। অর্থাৎ মাটিতে।
আরও পড়ুন:
মীরাট মেট্রোর দৈর্ঘ্য ২৩ কিমি। এই রেলপথের ১৬ কিলোমিটার পথ থাকবে মাটির উপরে। বাকি ৭ কিলোমিটার পথ রয়েছে ভূগর্ভে। সব মিলিয়ে থাকবে মোট ১৩টি স্টেশন।
ট্রেনগুলি পাওয়া যাবে প্রতি ৫ থেকে ১০ মিনিটে। তবে অফিস টাইমে। অন্য সময় ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সপ্তাহের কাজের দিন, যার মধ্যে শনিবারও রয়েছে, পরিষেবা শুরু হবে সকাল ৬টায়। চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত। রবিবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে ট্রেন চলাচল করবে রাত ১০টা পর্যন্ত। এও জানা গিয়েছে, মীরাট মেট্রোর সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৩৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা হলেও তা মোটামুটি ১২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে চলবে। ৩০ মিনিটে পেরনো যাবে ২১ কিলোমিটার পথ।
এদিকে নমো ভারত ট্রেনগুলি যাতায়াত করবে এক শহর থেকে অন্য শহরে। যাদের ডিজাইন স্পিড ১৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হলেও তা মোটামুটি ১৬০ প্রতি ঘণ্টা গতিতে চলবে। গড় গতিবেগ হবে ৯০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। এই পরিষেবায় গাজিয়াবাদ, মোদিনগর, মীরাটের মতো শহর যুক্ত হবে দিল্লির সঙ্গে। স্টেশন সংখ্যা অনেক কম হওয়ায় যাত্রা হবে স্বচ্ছন্দ ও দ্রুতগতির।
ট্রেনগুলি পাওয়া যাবে প্রতি ৫ থেকে ১০ মিনিটে। তবে অফিস টাইমে। অন্য সময় ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সপ্তাহের কাজের দিন, যার মধ্যে শনিবারও রয়েছে, পরিষেবা শুরু হবে সকাল ৬টায়। চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন
-
সম্ভব হল না অবতরণ! মাঝআকাশে চক্কর রাহুল গান্ধীর বিমানের