Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
PM Modi

‘সীমান্তে শান্তি ফিরলেই সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে’, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে জিনপিংকে সাফ কথা মোদির

শনিবার ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁদের আলোচনার উঠে এল সীমান্ত সমস্যা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ২০:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ২০:৩৫

options
link
‘সীমান্তে শান্তি ফিরলেই সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে’, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে জিনপিংকে সাফ কথা মোদির zoom
ব্রিকসের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
Advertisement

অরুণাচল-লাদাখে লালফৌজের আগ্রাসন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার দুইপারে একের পর এক জায়গার নামবদল। এই ডামাডোলের মাঝেই ৭ বছর পর ভারতের মাটিতে পা রেখেছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শনিবার ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁদের আলোচনার উঠে এল সীমান্ত সমস্যা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ। এই বৈঠকে জিনপিংকে কড়া ভাষায় মোদি জানালেন, সীমান্তে শান্তি ফিরলে তবেই সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে। মতানৈক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তা যে সংঘাতে না গড়ায়।’

বাণিজ্য, বিনিয়োগের পাশাপাশি এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মূল বিষয়বস্তু ছিল সীমান্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান। সূত্রের খবর, চিন চায় এই সীমান্ত সমস্যাকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থেকে আলাদা রাখতে। যদিও ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছে, সীমান্তে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ছাড়া সম্পর্ক কোনওভাবেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে না। বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছে, দুই দেশের সম্পর্কের জন্য সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অপরিহার্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, উভয় পক্ষকেই সীমান্ত সংক্রান্ত চুক্তি এবং সমঝোতা মেনে চলতে হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দুই নেতাই সীমান্ত ইস্যুতে যুক্তিসঙ্গত এবং পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধানের প্রতি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। যা দুই দেশের সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং দুই দেশের জনগণের উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, উভয় পক্ষকেই সীমান্ত সংক্রান্ত চুক্তি এবং সমঝোতা মেনে চলতে হবে।

বুধবার বৈঠকের শুরুতে চিনা প্রেসিডেন্টকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, “আপনাকে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত। ব্রিকস মঞ্চে আপনার ইতিবাচক বার্তার জন্য ধন্যবাদ। ভারতের ব্রিকসের সভাপতিত্বে চিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।” জবাবে জিনপিং বলেন, “আমার জন্মদিনের দিন অর্থাৎ ১৫ জুন আপনার শহরে আসার আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। গত কয়েক বছরে আমাদের ২১ বার সাক্ষাৎ হয়েছে। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছি আমরা। যা ভারত-চিনের কূটনৈতিক সম্পর্ককে স্থিতিশীল উন্নয়নের পথে পরিচালিত করেছে।” তিনি আরও বলেন, আমাদের দুই দেশের জাতীয় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। একে অপরের শক্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে, একে অপরকে সমর্থনের মাধ্যমে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে আমাদের।”

১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার। দিল্লিতে মোদি-জিনপিং দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। ছবি: পিটিআই

উল্লেখ্য, ভারত ও চিনের মধ্যে ৩,৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। যাকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বলা হয়। শি জিনপিং জানিয়েছিলেন, “বিশ্বের দুই জনবহুল দেশ এবং গ্লোবাল সাউথের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসাবে, চিন ও ভারতের কাঁধে বড় দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের উচিত মানবতার ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক শক্তি যোগানো।”

১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার। ব্রিকস মঞ্চে মোদি,জিনপিং ও পুতিন। ছবি: পিটিআই
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.