বিশ্বের তাবড় সংস্থাগুলি এআই-তে বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ করছে। ফলে ক্রমশ কমছে কর্মসংস্থান। বাড়ছে কর্মী ছাঁটাই। সেই তালিকায় ফেসবুক, গুগল, মাইক্রোসফটের মতো জায়ান্ট তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাও আছে। একে ঘিরে শঙ্কার মেঘ ক্রমেই ঘন হচ্ছে। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুখ খুললেন এই বিষয়ে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানিয়েছেন এর থেকে পরিত্রাণের উপায়।
এদিন মোদিকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”আমরা একে ভবিষ্যতের সমস্যা হিসেবে দেখছি না, বরং বর্তমানের এক অপরিহার্য বিষয় হিসেবে দেখছি। আমাদের সম্ভাব্য সীমানা অতিক্রম করতে আরও সাহায্য করবে, এমন ভাবেই এআই-কে আমি দেখি।” তাঁর মতে, প্রযুক্তি চাকরি খেয়ে নেবে এই আশঙ্কা কিন্তু আজকের নয়। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ”ইতিহাস সাক্ষী, প্রযুক্তির জন্য কাজের সুযোগ গায়েব হয়ে যায় না। বরং কাজের প্রকৃতি পরিবর্তন হয়ে যায়। নতুন ধরনের কাজ সৃষ্টি হয়। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরেই মানুষ ভয় পেয়েছে, আবিষ্কার ও প্রযুক্তির বিপ্লব বুঝি চাকরির সুযোগ নষ্ট করে দেবে। কিন্তু ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে, নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে নয়া আবিষ্কারকে কেন্দ্র করে। এআই-এর যুগেও এটা একই রকম সত্যি।” তাঁর মতে, ”ভয়ের মোকাবিলার সবচেয়ে ভালো উপায় হল প্রস্তুতি।” তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, প্রযুক্তিকে কেবল গ্রহণ করাই নয়, সুযোগও সৃষ্টি করা হয় এদেশে।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, গত ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট ঘোষণার সময়ও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ উল্লেখ করেন এআই প্রসঙ্গ। জানিয়ে দেন, পরিষেবা ক্ষেত্রে এআই-এর মতো নতুন প্রযুক্তির প্রভাব পর্যালোচনা করার জন্য একটি নতুন কমিটি গঠন করা হবে। অর্থাৎ কর্মক্ষেত্রে, বলা যায় চাকরির উপরে এআই-এর প্রভাবের মূল্যায়ন করাই ওই উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির দায়িত্বে থাকবে। এদিন প্রধানমন্ত্রীর কথায় উঠে এল সেই প্রসঙ্গ। তবে তিনি আতঙ্কিত না হওয়ারই বার্তা দিলেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
লাথি খেয়ে কচুবনে, বাড়ি দখলের অভিযোগে এবার ডিম খেলেন জয়প্রকাশ
-
‘চুপ থাকব না শেষ দেখে ছাড়ব’, বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় স্বামী-শ্বশুরের জোড়া আইনি নোটিসকে চ্যালেঞ্জ সেলিনার
-
৩০০ টাকা রোজ মাইনের চাকুরে থেকে কোটিপতি, উল্কাগতিতে উত্থান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে ধৃত পরিতোষের
-
তোলাবাজি থেকে যৌনহেনস্তা! ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে স্বরূপ বিশ্বাস, এজলাসে তুমুল হই হট্টগোল
-
কালীঘাটের বৈঠকে সেই ‘আদি’রাই, এলেন না ‘বিদ্রোহীরা’, দল বাঁচাতে পারবেন মমতা?