Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Pawan Khera

‘আমি কি অপরাধী?’ অন্তর্বর্তী জামিন নাকচের পর সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন পবন খেরার

'রক্ষাকবচ' হারানোর পর থেকেই কংগ্রেস নেতার গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৭:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৭:৪৪

options
link
‘আমি কি অপরাধী?’ অন্তর্বর্তী জামিন নাকচের পর সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন পবন খেরার zoom
অসমে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন পবন খেরা।

তেলেঙ্গানা হাই কোর্টে স্বস্তি পেয়েছিলেন। কিন্তু শীর্ষ আদালত সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলা ক্রমশ পবন খেরার (Pawan Khera) গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার শীর্ষ আদালতে কংগ্রেস নেতার প্রশ্ন, ”আমি কি একজন অপরাধী?”

এদিন খেরার আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি তাঁর মক্কেলের হয়ে প্রশ্ন করেন সুপ্রিম কোর্টে। তাঁর বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, ”আজ শুক্রবার। আমি সোমবার আবেদন করেছিলাম। আমি কি আমি কি এতটাই দুর্ধর্ষ অপরাধী যে, ন্যূনতম এইটুকু স্বস্তি থেকেও বঞ্চিত করা হবে আমাকে?”
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট তেলেঙ্গানা হাইকোর্টে পবন খেরার জামিন-আবেদনেও অসঙ্গতি চিহ্নিত করেছে। অসম প্রশাসনের আইনজীবী তুষার মেহতা এই নিয়ে এর আগেও এই নিয়ে খোঁচা দিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, যে আধার কার্ড জমা দিয়েছিলেন পবন, তার প্রথম পাতায় তাঁর নাম রয়েছে। অথচ উলটো দিকে রয়েছে তাঁর স্ত্রীর নম্বর। রয়েছে ভিন্ন আধার নম্বরও। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পবন খেরার সাফাই, ”মহামান্য আদালত বিভ্রান্ত হয়েছেন। ভুল নথিপত্র দাখিল করে আমি একটি সামান্য ভুল করেছি।” যদিও আদালতের প্রশ্ন, ”কী করে এটাকে সামান্য ভুল বলা যায়?”

Advertisement

পবন খেরা জানিয়েছেন, ”তেলেঙ্গানার পিটিশনে তাড়াহুড়ো ছিল। সেটা শুনানির সময়ই উল্লেখ করা হয়েছে। এবং সঠিক নথি দেওয়া হয়েছে। আমার স্ত্রী তেলেঙ্গানার বিধায়ক প্রার্থী। তাঁর হলফনামাও একই দিনে জমা পড়েছিল। কিন্তু সেটা উল্লেখিত হয়নি। শয়ে শয়ে পুলিশ কর্মী নিজামুদ্দিনে (খেরার বসতবাড়ি) পাঠানো হয়েছিল।” শেষপর্যন্ত বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী ও বিচারপতি অতুল এস চন্দ্রশেখরের বেঞ্চ অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ আর বাড়াতে চাননি।

অসমে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন পবন খেরা। তিনি বলেন, ভারত ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, মিশর এবং অ্যান্টিগা ও বারবুডার পাসপোর্ট রয়েছে হিমন্তপত্নী রিনিকির। মার্কিন মুলুকে বহু সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর। যদিও ভারতীয় আইন অনুযায়ী দুই দেশের পাসপোর্ট থাকাটা অপরাধ। পবন খেরার এই মন্তব্যের পালটা সুর চড়ান অসমের মুখ্যমন্ত্রী। হিমন্ত দাবি করেন, কংগ্রেস অপপ্রচার চালাচ্ছে। ডিজিটাল কারসাজি করে তাঁকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়। পবনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন রিনিকি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই কংগ্রেস নেতার বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.