Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬
EPF pension

সুখবর! ইপিএফ পেনশন ৭,৫০০ টাকা করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ন্যূনতম পেনশন নিয়ে। যা প্রতি মাসে মাত্র ১ হাজার টাকা। ফলে প্রবল সমস্যায় দিন গুজরান করতে হয় ইপিএফ পেনশনভোগীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৬, ১৩:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৬, ১৩:১০

options
link
সুখবর! ইপিএফ পেনশন ৭,৫০০ টাকা করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির zoom
ইপিএফ পেনশন ৭,৫০০ টাকা করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির।

পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর। ইপিএফ পেনশন ৭,৫০০ টাকা করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। তাদের মতে মৌলিক চাহিদা মেটাতে ১,০০০ টাকা পর্যাপ্ত নয়। অবসর তহবিল সংস্থা ইপিএফও পরিচালিত কর্মচারী পেনশন স্কিম ১৯৯৫ (ইপিএস-৯৫)-এর আওতাভুক্ত পেনশনভোগীরাও ন্যূনতম মাসিক পেনশন বাড়িয়ে ৭,৫০০ টাকা করার দাবিতে ৯ মার্চ থেকে যন্তর মন্তরে তিন দিন বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিলেন। আর সোমবার সেই একই সুপারিশ করল সংসদীয় কমিটি।

দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ন্যূনতম পেনশন নিয়ে। যা প্রতি মাসে মাত্র ১ হাজার টাকা। শ্রম, বস্ত্র ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ‘অনুদান দাবি (২০২৬-২৭)’ শীর্ষক ১৫তম প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সত্ত্বেও কর্মচারী পেনশন প্রকল্প, ১৯৯৫-এর অধীনে প্রতি মাসে ন্যূনতম ১,০০০ টাকা পেনশন দীর্ঘ সময় ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। যা বাড়িয়ে ৯ হাজার টাকা করার দাবি উঠেছিল। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে ন্যূনতম পেনশন ৭, ৫০০ টাকা করা হতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল এবারের বাজেটে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বলা বাহুল্য, এমনটা হলে উপকৃত হবেন ইপিএফও-র ৬০ লক্ষ পেনশনভোগী। সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে কমিটি লক্ষ করেছে যে, বিশেষত বয়স্ক এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল সুবিধাভোগীদের আর্থিক দুর্দশার কথা বিবেচনা করে ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধির দাবিতে পেনশনভোগীদের কাছ থেকে অসংখ্য আবেদনপত্র পাওয়া গিয়েছে। তবে, কমিটি জানিয়েছে যে, তারা এই সুচিন্তিত অভিমত পোষণ করে যে, বিদ্যমান ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ পেনশনভোগীদের মৌলিক চাহিদা মেটানোর জন্য অপর্যাপ্ত, বিশেষত মুদ্রাস্ফীতি এবং ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে সৃষ্ট বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে।

এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ন্যূনতম পেনশন সাড়ে সাত হাজার টাকা হলে বর্তমান বাজার দরের সঙ্গে খানিকটা খাপ খাওয়াতে পারবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ কর্মীরা। কারণ চিকিৎসা এবং অন্যান্য খাতে খরচ লাগামছাড়া পর্যায়ে চলে গিয়েছে। অতএব, কমিটি সুপারিশ করছে যে, মন্ত্রণালয় যেন কর্মচারী পেনশন স্কিম, ১৯৯৫-এর অধীনে ন্যূনতম পেনশনের একটি জরুরি ও ব্যাপক পর্যালোচনা করে, যাতে এটিকে আরও বাস্তবসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ পর্যায়ে উন্নীত করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.