Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
School dropouts

উচ্চমাধ্যমিকের আগেই স্কুলছুট ৭৩ শতাংশ, কমছে স্কুলের সংখ্যাও, উদ্বেগ সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে

তথ্য বিশ্লেষণ করে এস্টিমেট কমিটি সাফ বলে দিচ্ছে,  দেশে উচ্চতর স্কুলশিক্ষার অন্যতম অন্তরায় পর্যাপ্ত পরিমাণ স্কুল না থাকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৯:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৯:৪৪

options
link
উচ্চমাধ্যমিকের আগেই স্কুলছুট ৭৩ শতাংশ, কমছে স্কুলের সংখ্যাও, উদ্বেগ সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

দিন কয়েক আগেই নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে বিরাট আন্দোলন হয়ে গেল দিল্লির যন্তর মন্তরে। যার জেরে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। কিন্তু সিস্টেম বদলাল কি? সার্বিকভাবে দেশের গোটা শিক্ষাব্যবস্থাটাই বড়সড় উদ্বেগের জায়গা। অন্তত সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে তেমনটাই দাবি।

দেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতি যেমন এর জন্য দায়ী তেমনই চাকরির অভাব, শিক্ষার খরচ বেড়ে যাওয়াকেও দায়ী করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে, পাঠ্যক্রমে নিত্যনতুন বদলের ফলে ঠিক সময়ে পাঠ্যবই হাতে না মেলা ও বার বার পরীক্ষার ধরন বদলে যাওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকস্তরের পরীক্ষার্থীরা চাপে পড়ে যাচ্ছে।

সম্প্রতি দেশের শিক্ষা সংক্রান্ত বাজেট ও নীতি নিয়ে এস্টিমেট কমিটি সংসদে রিপোর্ট পেশ করেছে। ওই রিপোর্টে একাধিক উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। এস্টিমেট কমিটির রিপোর্ট বলছে, উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি না পেরিয়েই ৭৩ শতাংশ ছাত্রছাত্রী পড়াশোনায় ইতি টানছে। শিক্ষার স্তর যত বাড়ছে ততই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে স্কুলছুটের সংখ্যা। উদাহরণ হিসাবে ২০২৪-২৫ সালের পড়ুয়াদের সংখ্যার একটি তথ্য তুলে ধরেছে ওই কমিটি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই বছর প্রাথমিকস্তরে ৬ কোটি ১৮ লক্ষের কিছু বেশি পড়ুয়া ভর্তি হয়েছিল। সেটা ক্লাস সিক্স থেকে এইট পর্যন্ত কমতে কমতে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৮ লক্ষের কিছু বেশি। মাধ্যমিক স্তরে ওই পড়ুয়াসংখ্যা কমে দাঁড়াচ্ছে ২ কোটি ৩৬ লক্ষ। উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পড়ুয়া সংখ্যা আরও কমে দাঁড়াচ্ছে ১ কোটি ৬৪ লক্ষ।

Advertisement

কেন বাড়ছে স্কুলছুটের সমস্যা? দেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতি যেমন এর জন্য দায়ী তেমনই চাকরির অভাব, শিক্ষার খরচ বেড়ে যাওয়াকেও দায়ী করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে, পাঠ্যক্রমে নিত্যনতুন বদলের ফলে ঠিক সময়ে পাঠ্যবই হাতে না মেলা ও বার বার পরীক্ষার ধরন বদলে যাওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষার্থীরা চাপে পড়ে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তাছাড়া শিক্ষার স্তর যত উঁচু হচ্ছে ততই কমেছে স্কুল এবং আসনের সংখ্যা। এস্টিমেট কমিটির রিপোর্ট বলছে, “২০২৪-২৫ সালে যেখানে ৯ লক্ষ ১১ হাজারের বেশি প্রাথমিক স্তরের স্কুল ছিল, সেখানে আপার প্রাইমারি স্তরে স্কুলের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৪ লক্ষ ১২ হাজার, মাধ্যমিক স্তরে সেটা আরও কমে দাঁড়ায় ১ লক্ষ ৬১ হাজার। আর উচ্চমাধ্যমিক স্তরে স্কুলের সংখ্যা ছিল মাত্র ৯০ হাজার।

তথ্য বিশ্লেষণ করে এস্টিমেট কমিটি সাফ বলে দিচ্ছে,  দেশে উচ্চতর স্কুলশিক্ষার অন্যতম অন্তরায় পর্যাপ্ত পরিমাণ স্কুল না থাকা। সেকারণেই প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে উন্নয়ন হওয়া পর্যন্ত প্রায় ৭৩ শতাংশ পড়ুয়া পড়াশোনাতেই ইতি টানছে। কমিটির সুপারিশ, অবিলম্বে প্রাথমিক স্তরের বহু স্কুলকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে উন্নত করতে হবে। যাতে সহজেই পড়ুয়ারা স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.